Kolkata Municipal Corporation

পুজো শেষ, এ বার রাস্তা থেকে হোর্ডিং-ব্যানার খোলার পালা! বুধবারই ডেডলাইন, নির্দেশ অমান্য করলে তিন গুণ জরিমানা, কড়া কলকাতা পুরসভা

পুরসভা সূত্রে খবর, বিজ্ঞাপন সরানোর জন্য পুরসভার তরফে যে খরচ হবে, তা-ও সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটি বা বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে আদায় করা হবে। এমনকি বিজ্ঞাপনের নির্ধারিত খরচের অন্তত তিন গুণ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে।

কলকাতা পুরসভা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ০১:৫৪

দুর্গাপুজো শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই শহরের রাস্তা থেকে সমস্ত পুজোর বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং, ব্যানার ও ফ্লেক্স খুলে ফেলার নির্দেশ দিল কলকাতা পুরসভা। বুধবারই শেষ সময়সীমা। তার মধ্যে অস্থায়ী বিজ্ঞাপন সরানোর পাশাপাশি খুলে ফেলতে হবে সেগুলি লাগানোর জন্য তৈরি বাঁশের কাঠামোও। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিজ্ঞাপন না সরালে গুনতে হতে পারে মোটা টাকা জরিমানা। পুরসভা সূত্রে খবর, বিজ্ঞাপন সরানোর জন্য পুরসভার তরফে যে খরচ হবে, তা-ও সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটি বা বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে আদায় করা হবে। এমনকি বিজ্ঞাপনের নির্ধারিত খরচের অন্তত তিন গুণ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে।

প্রতিবছর দুর্গাপুজো মিটে যাওয়ার পরেও শহরের বিভিন্ন রাস্তায় দিনের পর দিন পড়ে থাকে বিজ্ঞাপনের ব্যানার, ফ্লেক্স। কোথাও আবার মাস পেরিয়ে গেলেও খুলে ফেলা হয় না অস্থায়ী বাঁশের কাঠামো। এর ফলে একদিকে যেমন শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হয়, তেমনই ফুটপাথ দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন পথচারীরা। তার উপর বৃষ্টি বা ঝোড়ো হাওয়ায় অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকে। এই সমস্ত সমস্যা এড়াতেই এবার বিজ্ঞাপন সরানোর জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কলকাতা পুরসভা।

উল্লেখ্য, চলতি বছর পুজোর বিজ্ঞাপন লাগানোর জন্য সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটিগুলিকে পুরসভার অনুমতি নিতে হয়েছিল। কোন পুজো কমিটি শহরের কোথায় বিজ্ঞাপন দিয়েছে, সেই সংক্রান্ত তথ্যও পুরসভার কাছে রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিজ্ঞাপন না সরালে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা ও বিজ্ঞাপনদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুবিধা হবে পুরসভার। পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের এক আধিকারিকের বক্তব্য, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য শহরের রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা এবং অস্থায়ী বিজ্ঞাপনের কারণে তৈরি হওয়া সমস্যার মোকাবিলা করা। এ বার সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও বিজ্ঞাপন ঝুলিয়ে রাখলে সংশ্লিষ্টদের আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।


Share