Earthquake

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৫, আতঙ্কে বাইরে বেরিয়ে পড়ল অফিস কর্মীরা

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা। শুক্রবার দুপুর একটা ২৩ মিনিট নাগাদ পরপর কেঁপে উঠল কলকাতা। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫।

আতঙ্কে অফিস থেকে বেরিয়ে পড়েছেন অফিস কর্মীরা
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:৪৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা। শুক্রবার দুপুর ১টা ২৩ মিনিট নাগাদ পরপর কেঁপে উঠল কলকাতা। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫। রাজ্যের একাধিক জেলায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাংলাদেশ। কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, হুগলি, দুই বর্ধমান, দুই ২৪ পরগনা এবং উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

কলকাতায় ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শহরজুড়ে। কম্পন অনুভূত হতেই বহু মানুষ বাড়ি ও অফিস থেকে বেরিয়ে রাস্তায় আশ্রয় নেন। কয়েকটি পুরনো বাড়ি হেলে পড়ার খবর মিললেও এখনও পর্যন্ত বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। দোকান-বাজারেও সাময়িকভাবে হুলস্থুল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

শুক্রবার দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলাতেও কম্পন অনুভূত হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চলে, যা পশ্চিমবঙ্গের টাকি থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও জোরালো কম্পন টের পাওয়া যায়। পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জেলা শাসকের দফতরের কর্মীরাও কম্পন অনুভব করে বাইরে বেরিয়ে আসেন। এলাকার বাড়ি ও আবাসন কেঁপে ওঠে এবং বহু জায়গায় বন্ধ থাকা সিলিং ফ্যান কিছুক্ষণ দুলতে দেখা যায়। একই পরিস্থিতি দেখা যায় ঝাড়গ্রাম, হাওড়া ও হুগলি জেলাতেও।

এদিকে, শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ সিকিমেও একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল ২.৪। সেখানে কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টা নাগাদ কলকাতায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল; সেবার কম্পনের উৎসস্থল ছিল মায়ানমার এবং রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৬।


Share