Illegal Coal Smuggling

ঝাড়খণ্ড সীমান্তে নাকা চেকিংয়ে ধরা পড়ল সাত টন অবৈধ কয়লা, ট্রাক ফেলে চম্পট পাচারকারীরা

ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে কাঁকরতলা থানার নাকা চেকিংয়ে প্রায় সাত টন বেআইনি কয়লা বোঝাই একটি ট্রাক আটক করে পুলিশ। ট্রাক ও কয়লা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে আন্তঃরাজ্য পাচারচক্রের যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

লড়ি বোঝাই কয়লা
নিজস্ব সংবাদদাতা, বীরভূম
  • শেষ আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:৪০

অবৈধ কয়লা পাচারে আবারও বীরভূম জেলার নাম উঠে এল। ঝাড়খণ্ড সীমান্ত পেরিয়ে বাংলায় ঢোকার আগেই কাঁকরতলা থানার পুলিশ বিপুল পরিমাণ বেআইনি কয়লা বোঝাই একটি ট্রাক আটক করল। ঘটনায় ট্রাক ও কয়লা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। চালক ও গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার গভীর রাতে গোপন খবর আসে—ঝাড়খণ্ড থেকে একটি ট্রাকে করে কয়লা নিয়ে বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের কাঁকরতলা এলাকায় ঢোকার চেষ্টা চলছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কাঁকরতলা থানার ওসি মহম্মদ সাকিবের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঝাড়খণ্ড লাগোয়া চন্দ্রবাদ এলাকার নাকা চেকিং পয়েন্টে নজরদারি শুরু করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা নাকা পয়েন্টের কিছুটা দূরে ট্রাকটি ফেলে রেখে অন্ধকারের সুযোগে চম্পট দেয়। পরে পুলিশ ট্রাকের ত্রিপল খুলে প্রায় সাত টন অবৈধ কয়লার হদিস পায়।

পুলিশ জানিয়েছে, বাজেয়াপ্ত করা ট্রাকের মাধ্যমে কোথা থেকে কয়লা আনা হচ্ছিল এবং বীরভূম বা আশপাশের কোন এলাকায় তা পৌঁছনোর পরিকল্পনা ছিল, সে বিষয়ে খোঁজখবর চলছে। পাশাপাশি, এই ঘটনার সঙ্গে কোনও আন্তঃরাজ্য পাচারচক্র জড়িত কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, কয়লা, বালি ও গোরু পাচার নিয়ে বীরভূম জেলা দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে। সিবিআই ও ইডির তদন্তে আগেও একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও তাদের ঘনিষ্ঠদের নাম উঠে এসেছে। যদিও প্রশাসনিক তৎপরতা বেড়েছে, তবুও সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিকে ‘সেফ করিডর’ হিসেবে ব্যবহার করে চোরাপথে পাচার যে এখনও চলছে, তা আবারও সামনে এল। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Share