Food Safety Campaign

কালীপুজোর আগে দুর্গাপুরের নামী হোটেলে চলল খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অভিযান, উদ্ধার বাসি মাংস ও মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার

স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কয়েকটি হোটেলকে জরিমানা করার পাশাপাশি সতর্ক করেছেন আধিকারিকরা। আগামী দিনেও এমন অভিযান জারি থাকবে বলে জানিয়েছে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের।

দুর্গাপুরের হোটেল থেকে উদ্ধার পচা খাবার
নিজস্ব সংবাদদাতা, দুর্গাপুর
  • শেষ আপডেট: ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ০৩:৪৭

দুর্গাপূজার আগে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অভিযান চলেছে। এবার কালীপুজোর আগেও চলল হোটেলের রান্নাঘরে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের হানা। আর সেই অভিযানেই খাবারের গুণমান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এল। কোথাও দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে মাখন থেকে। কোথাও মেয়াদ উত্তীর্ণ পাউরুটি রান্নাঘরে পড়ে রয়েছে। ফ্রিজে দিনের পর দিন পুরনো গ্রেভি মজুত করে রাখা হয়েছে। শুক্রবার দুর্গাপুরের একাধিক নামী হোটেলে অভিযান চালায় খাদ্য সুরক্ষা দফতরের। তাতেই এই চবি উঠে আসে।

অভিযান চলাকালীন হোটেলগুলির রান্নাঘর থেকে বাসি মুরগির মাংস- সহ বিভিন্ন ধরনের পুরনো খাবার উদ্ধার হয়। খাবার সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও একাধিক অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ। রান্নাঘরের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং খাদ্যসামগ্রী রাখার অনিয়মও নজরে আসে আধিকারিকদের। বিভিন্ন মশলা ও খাবারের মেয়াদ সংক্রান্ত নিয়মও যথাযথভাবে মানা হচ্ছিল না বলে জানা গিয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, হোটেলে খেতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যে খাবার পাচ্ছেন, তার গুণমান কতটা নিরাপদ? পুরনো ও নষ্ট হয়ে যাওয়া খাবার পরিবেশন করা হলে তা থেকে শারীরিক সমস্যার আশঙ্কাও রয়েছে। এই ধরনের একাধিক অনিয়মের অভিযোগে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি হোটেলকে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের তরফে জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি হোটেল কর্তৃপক্ষকে সতর্কও করা হয়েছে।

তবে এই অভিযানেই শেষ নয়। দুর্গাপুরের বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তরাঁয় নিয়মিত নজরদারি চালানোর পাশাপাশি আগামী দিনেও এমন অভিযান জারি থাকবে বলে জানিয়েছে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের। খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিক শুভম ঘোষের বক্তব্য, হোটেলগুলিতে খাবার সংরক্ষণের নিয়ম মানা হচ্ছে না। বাসি ও পচা খাবার মজুত করে রাখা হচ্ছে, যা খেলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। সেই কারণেই লাগাতার অভিযান চালানো হচ্ছে। নিয়মভঙ্গের ক্ষেত্রে হোটেলগুলিকে সতর্ক করার পাশাপাশি জরিমানাও করা হচ্ছে।


Share