Special Intensive Rivision

বহুতলে ভোটকেন্দ্র নিয়ে টানাপড়েনের অবসান, কমিশনের সিদ্ধান্তে সবুজ সংকেতে রাজ্যের সাত জেলায় ৬৯টি ভোটকেন্দ্র

বহুতল আবাসানে ভোটকেন্দ্র করা নিয়ে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছিল জ্ঞানেশ কুমার। তবুও আগের সিদ্ধান্তেই অনড় থেকে রাজ্যের সাত জেলায় ৬৯ টি বহুতল আবাসনে করা হবে ভোটকেন্দ্র। শুক্রবার এমনই নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৩৬

বহুতল আবাসনে ভোটকেন্দ্র তৈরির সিদ্ধান্তেই অনড় নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের সাতটি জেলায় মোট ৬৯টি বহুতল আবাসনে ভোটকেন্দ্র করা হবে। এর আগে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ কলকাতায় দু'টি, উত্তর কলকাতায় আটটি, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৫টি, উত্তর ২৪ পরগনায় ২২টি, হাওড়ায় চারটি, পূর্ব বর্ধমানে তিনটি এবং হুগলিতে পাঁচটি বহুতল আবাসনে ভোটকেন্দ্রকরা হবে। যেসব আবাসনে ৩০০-র বেশি ভোটার রয়েছেন, সেখানেই ভোটকেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত কয়েক মাস ধরেই বহুতল আবাসনে ভোটকেন্দ্র নিয়ে টানাপড়েন চলছিল। কোন কোন আবাসনে ভোটকেন্দ্র করা সম্ভব, সে বিষয়ে জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতর। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পর্যাপ্ত আবেদন না আসায় প্রথমে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ইঙ্গিত মিলেছিল। তবে পরে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে নতুন করে সমীক্ষা চালিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়।

বহুতলে ভোটকেন্দ্র তৈরির বিরোধিতায় শুরু থেকেই সরব ছিল শাসকদল। তাদের যুক্তি, সাধারণত সরকারি স্কুলে ভোটকেন্দ্র হয়, বহুতল আবাসনে ভোটকেন্দ্র হলে ভোটের নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, বহু ক্ষেত্রে বহুতল আবাসনের ভোটাররা ভোট দিতে বাইরে যেতে চান না। শাসকদলের ‘চাপ’ বা ‘ভয়’-এর কারণেই তাঁরা ভোটের দিন ঘরবন্দি থাকেন বলে অভিযোগ। তাই নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোটার থাকলে আবাসনের মধ্যেই ভোটকেন্দ্র করা প্রয়োজন বলে বিজেপির মত।


Share