Special Intensive Rivision

এসআইআর শুনানি নিয়ে প্রশাসনের মধ্যেই ধোঁয়াশা! ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র জেরে ইস্তফার চিঠি এইআরও-র

ভোটার তালিকা সংশোধনের ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ ঘিরে জটিলতায় প্রশাসনের অস্বস্তি। সময়সীমা ও নথি যাচাই নিয়ে প্রশ্ন তুলে এইআরও পদে ইস্তফার আবেদন বাগনানের মৌসম সরকারের।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া
  • শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:২৬

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের শুনানি প্রক্রিয়া ঘিরে জটিলতা ও সময়সীমা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের একাংশের মধ্যে। ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতির তালিকায় থাকা ভোটারদের শুনানিতে হাজির হওয়ার জন্য নোটিস পাঠানো শুরু হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে কি না, এবং তালিকাভুক্ত ভোটারদের নথি যথাযথভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে কি না, এই প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের মধ্যেই।

এই পরিস্থিতিতে এইআরও–র পদ থেকে ইস্তফা দিতে চেয়ে আবেদন করেছেন হাওড়ার বাগনান বিধানসভা কেন্দ্রের এইআরও তথা ব্লক ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অফিসার মৌসম সরকার। বৃহস্পতিবার ইআরও–কে পাঠানো চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বিএলও অ্যাপের তথ্যের একাধিক ফারাক রয়েছে। পাশাপাশি প্রোজেনি ম্যাপিং সংক্রান্ত সমস্যা, ভোটারের নাম ও লিঙ্গে গরমিল, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ভোটারের নামের জায়গায় শুধু ‘Ya’ লেখা থাকার মতো বিভ্রান্তির কথাও তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর দাবি, এই ত্রুটিগুলির জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভোটাররা দায়ী নন।

চিঠিতে মৌসম সরকার আরও লিখেছেন, ‘একজন দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি, এই ধরনের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কোনও অর্থ নেই। এবং এর জন্য সমাজের প্রান্তিক মানুষের একটা বড় অংশের মানুষকে বঞ্চিত হতে হবে, বিশেষ করে যাঁদের কমিশন নির্ধারিত ১২টি নথির কোনওটিই নেই।’ তাঁর সংযোজন, ‘আমি এইআরও হিসেবে ইস্তফা দিতে চাইছি যাতে আমার সহনাগরিকদের সঙ্গে আমি প্রতারণা করিনি, অন্তত এই সান্ত্বনাটুকু থাকে।’


Share