Narendra Modi

অনুপ্রবেশেরকারীদের যাঁরা সুরক্ষা দিচ্ছে তাঁদের মুখোশ খুলে দিতে হবে, নাম না করে বিরোধীদের নিশানা প্রধানমন্ত্রী মোদীর

মঙ্গলবারের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ভারতের গরীব মানুষ এবং যুবকদের ভাগ অনুপ্রবেশকারীরা হনন করে নেবে তা চলবে না। অনুপ্রবেশকারীরা দেশের নিরাপত্তার জন‍্য ক্ষতিকর। তাই তাদের চিহ্নিত করে নিজেদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া অত‍্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ০১:৩৯

অনুপ্রবেশ নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, যে সমস্ত রাজনৈতিক দল অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব‍্যাঙ্কের স্বার্থে সুরক্ষা দিচ্ছে, তাঁদের মুখোশ জনগণের সামনে খুলে দিতে হবে। নিতিন নবীন বিজেপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি আরও বলেন, দুনিয়ার কোনও ধনী দেশ নিজেদের দেশে অনুপ্রবেশকারীদের গ্রহণ করে না।

পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সীমান্ত বিনিময় করছে। রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী প্রসঙ্গে অতীতেও একাধিক বার সরব হতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। মঙ্গলবার নবনির্বাচিত বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীনের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, অনুপ্রবেশ দেশের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। অনুপ্রবেশের ফলে দেশের সংস্কৃতি নষ্ট হচ্ছে। তাঁর কথায়, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এবং সমৃদ্ধশালী দেশগুলি, তাঁদের অভ্যন্তরীণ সীমানায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কাজ করছে। তাদের ধরে দেশের বাইরে করে দিচ্ছে। তিনি বলেন, “তাঁদের বার করে দেওয়া হচ্ছে? তা নিয়ে বিশ্ব প্রশ্ন করেনা। বিশ্ব এটাও বলে না যে তুমি ” দুনিয়ার কোনও দেশ অনুপ্রবেশকারীদের গ্রহণ করে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

পশ্চিমবঙ্গে জনসভা করতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিক বার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ নিয়ে রাজ‍্যের শাসকদল তৃণমূলকে নিশানা করেছেন। বিজেপির অভিযোগ, রাজ‍্যে সীমান্তে কাঁটাতার লাগানোর জন‍্য বারবার জমি চাওয়া হয়েছে। কিন্তু রাজ‍্য সরকার জমি দেয়নি। তাই সীমান্তের একটা বড় অংশে কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এ দিন প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “এমন রাজনৈতিক দল যাঁরা ভোটব‍্যাঙ্ককে সুরক্ষিত করার জন‍্য অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচিয়ে চলেছে বা যাঁরা তাদেরকে সুরক্ষা দিচ্ছে, পুরো শক্তি প্রয়োগ করে জনগণের সামনে তাঁদের মুখোশ খুলে দিতেই হবে। তাঁদের কর্মকান্ড জনগণের সামনে আনতেই হবে।” আর কয়েক মাস পরেই রাজ‍্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে প্রধানমন্ত্রী নাম না করে যে তৃণমূলকে নিশানা করেছেন তা কার্যত স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মঙ্গলবারের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ভারতের গরীব মানুষ এবং যুবকদের ভাগ অনুপ্রবেশকারীরা হনন করে নেবে তা চলবে না। অনুপ্রবেশকারীরা দেশের নিরাপত্তার জন‍্য ক্ষতিকর। তাই তাদের চিহ্নিত করে নিজেদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া অত‍্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”


Share