Laxmi Bhandar Controversy

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক, শোকজের পর দুঃখপ্রকাশ বিজেপি নেতা কালীপদ সেনগুপ্তর

দাসপুরে বিজেপি সভায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে কালীপদ সেনগুপ্তর মন্তব্যে বিতর্ক। শোকজের পর দুঃখপ্রকাশ। একই স্থানে তৃণমূলের প্রতিবাদ সভা, বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ।

কালীপদ সেনগুপ্ত
নিজস্ব সংবাদদাতা, দাসপুর
  • শেষ আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:০৪

দাসপুরের কলাইকুন্ডু মাঠে শনিবার বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প জনসভায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে দলের রাজ্য কমিটির সদস্য কালীপদ সেনগুপ্তর মন্তব্য ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডা. সুকান্ত মজুমদার। কালীপদের মন্তব্যের প্রতিবাদে সরব হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্যের দুই মন্ত্রী শশী পাঁজা ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

বিতর্কের জেরে রবিবার বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্ব কালীপদ সেনগুপ্তকে শোকজ করে বক্তব্যের ব্যাখ্যা তলব করে। শোকজ নোটিস পাওয়ার পর সোমবার বিকেলে কলাইকুন্ডুতে এক বিজেপি নেতার বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজের মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করেন তিনি।

কালীপদ বলেন, 'আমার বক্তব্যের উদ্দেশ্য মাতৃশক্তিকে অসম্মান করা নয়। আমরা মাতৃশক্তিকে দেবী দুর্গা রূপে পুজো করি। আমার বক্তব্যের ভুল ও অপব্যাখ্যা হয়েছে। তাও আমি বলছি, আমার কথায় কেউ যদি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে আমি ব্যথিত এবং দুঃখিত। আমরা সরকারি প্রকল্পের বিরোধী নই। আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেরও বিরোধী নই।' 

এদিকে, কালীপদের দুঃখপ্রকাশের সময়েই কলাইকুন্ডু মাঠে একই স্থানে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিবাদ সভা করে। সভায় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি অজিত মাইতি-সহ জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্ব। মহিলা কর্মীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সভা থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির কটাক্ষ করে বলেন, 'নারীদের ক্ষমতায়নে যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্প কন্যাশ্রী-রূপশ্রী আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে, সেখানে এই কালীদাস হরিদাসদের মতো বিজেপি নেতারা বলছে মহিলাদের ঘরে তালাবন্ধ করে রাখুন। তালিবান, মধ্যযুগীয় ধারণার কথা বিজেপির মুখে শোনা যাচ্ছে।'


Share