BJP-TMC Clash

ভোটের পর তৃণমূলকে 'বাংলাদেশে পাঠানোর' হুঁশিয়ারি বিজেপির, পাল্টা 'দেশছাড়া করার' হুংকার তৃণমূলের, মালদহে তুঙ্গে কুকথার রাজনীতি

২৬-এর লক্ষ্যে মালদহে তুঙ্গে কুকথার রাজনীতি। তৃণমূলকে ‘বাংলাদেশে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি নেতা শুভঙ্কর চম্পটি। পাল্টা ‘দেশছাড়া করার’ হুঙ্কার তৃণমূলের। ভোটের আগেই দুই শিবিরের আক্রমণাত্মক বাকযুদ্ধে উত্তপ্ত জেলা, শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

পরিবর্তন সভার মঞ্চে বিজেপি
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ
  • শেষ আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০৫:৩৪

মালদহে কুকথার রাজনীতি আরও তীব্র হলো। তৃণমূলের পর এবার বিজেপির তরফ থেকেও আক্রমণাত্মক ভাষার অভিযোগ উঠল। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের পরে তৃণমূল নেতৃত্বকে জেলে পাঠানো বা ‘বাংলাদেশে পাঠানোর’ হুংকার দেন বিজেপির যুব মোর্চার দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শুভঙ্কর চম্পটি। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ভোটের পর বিজেপি নেতৃত্বকে ‘দেশছাড়া করার’ হুঁশিয়ারি দিল তৃণমূল কংগ্রেস।

যুব দিবস উপলক্ষে মালদহের ইংরেজবাজার শহরে বিজেপির যুব মোর্চার পক্ষ থেকে মিছিল ও সভার আয়োজন করা হয়। পোস্ট অফিস মোড়ে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভঙ্কর চম্পটি বলেন, "স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন একদিকে গীতা পড়তে এক দিকে ফুটবল খেলতে। আমরা গীতা পোড়ী আবার ফুটবল খেলি। তৃণমূল এই রাজ্যে মনীষীদের থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষদের বারবার অপমান করেছে। ওরা বলে খেলা হবে খেলা হবে। ২০২৬ এ খেলা হবে। ওরা এত দুর্নীতি করেছে। ওদের বলতে চাই মাত্র আর দু'মাস। আমরা যেমন গীতা পড়তে পারি ডান্ডা নিয়ে লড়াই করতে পারি।  ভোটের পরে তৃণমূল দলটাকে কিক মেরে বাংলাদেশে পাঠাবো।"

এই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সঠিক কথা বলেছি, "এরা দুর্নীতিবাজ। এদের ভোটের পরে জেলের ভাত খাওয়াবো। নাহলে কিক মেরে বাংলাদেশে পাঠাবো।"

এর পাল্টা জবাবে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, "বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙ্গা বিজেপির কাছ থেকে মনীষীদের সম্মান দেওয়া তৃণমূলকে শিখতে হবে না। তৃণমূল কংগ্রেস ২০২১ সালে ও খেলেছে। ২০২৬ ও খেলবে। ভোটের পরেই ওরা বাংলাদেশ যাবে না পাকিস্তান যাবে, তারা তখন টের পাবে।"

উভয় শিবিরের এই ধরনের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।


Share