Cabinet Reshuffle

প্রাক্তন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর হতে পারেন পূর্ণমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা, তুঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা

রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় একাধিক হেভিওয়েট মন্ত্রী দফতর হারাতে পারেন। প্রায় এক ডজন প্রতিমন্ত্রী দফতর হারাতে চলেছেন। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দফতর হারাতে চলেছেন। সুকান্ত মজুমদারকেও দফতর থেকে সরানো হতে পারে।

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠক করলেন অমিত শাহ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৬ জুন ২০২৬ ০১:২৮

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে। আগামী রবিবার বা সোমবারই মন্ত্রিসভার ঘোষণা হতে পারে। গতকাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠক করেন। এর পর থেকেই মন্ত্রীসভায় রদবদল নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় একাধিক হেভিওয়েট মন্ত্রী দফতর হারাতে পারেন। প্রায় এক ডজন প্রতিমন্ত্রী দফতর হারাতে চলেছেন। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দফতর হারাতে চলেছেন। সুকান্ত মজুমদারকেও দফতর থেকে সরানো হতে পারে। রাজু বিস্তা দফতর পেতে পারেন। দফতর পেতে পারেন আরএসএসের প্রচারক তথা রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

সামনেই পঞ্জাবে বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বেশ কয়েক জনকে মন্ত্রীসভায় আনা হতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হরদীপ সিং পুরীর হাত থেকে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের দায়িত্ব কেড়ে নেওয়া হতে পারে। জল্পনা, সদ‍্য আম আদমি পার্টি থেকে আসা রাঘব চাড্ডাকে ওই মন্ত্রক দেওয়া হতে পারে। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরে সিরমনি অখালি দলের সাংসদ হরসিমরত কাউর বাদল খাদ‍্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রক দেওয়া হয়েছিল। গত ২০২০ সালে কৃষি আইনের বিরোধিতা করে পদত্যাগ করেন হরসিমরত। পরে সোম প্রকাশকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি মন্ত্রী ছিলেন। নির্বাচনের পরে রবনীত সিং বিট্টুকে সেই মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীর করা হয়।

জল্পনা এ-ও আছে, নির্মলা সীতারামনকে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব থেকে সরানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রাক্তন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাসকে একটি পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে। শক্তিকান্ত বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। নির্মলা সীতারামনকে শিক্ষামন্ত্রী করা হতে পারে। পাশাপাশি নীতিন গঢ়কড়ি, মনোহরলাল খট্টারেররেও মন্ত্রক পরিবর্তন করা হতে পারে। জেডিইউ নেতা নীতীশ কুমার মোদীর মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিতে পারেন। সুখেন্দুশেখর রায়ও মোদীর মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিতে পারেন বলে জল্পনা।

সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করে ২০ জন দলীয় সাংসদ বেরিয়ে গিয়েছেন। তাঁরা এনসিপিআই নামে একটি দলে যোগ দিয়েছেন। এনসিপিআই ইতিমধ্যেই এনডিএর সঙ্গে জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁদের মধ্যে থেকেও এক-দু’জনকে প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। কিছু নতুন মুখও মন্ত্রিসভার আসতে চলেছেন। একনাথ শিন্ডের ছেলে শ্রীকান্ত শিন্ডেকে মন্ত্রক দেওয়া হতে পারে।

যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কেউ বিবৃতি দেয়নি।


Share