TMC

জাতীয় কর্মসমিতির তালিকা হাতে কমিশনের কাছে ঋতব্রতেরা, ‘আসল তৃণমূল’ নিয়ে চূড়ান্ত লড়াই এ বার দিল্লিতে

প্রাথমিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কমিশনের অনুমতি মিললে আগামী সপ্তাহেই ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল দিল্লিতে যাবে।

জ্ঞানেশ কুমার ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ০৬:১৯

নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদেরই ‘আসল’ তৃণমূল বলে দাবি জানাতে এ বার দিল্লির পথে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির। কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ইতিমধ্যেই আবেদন জানিয়েছে ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল। সময় মিললেই নির্বাচন সদনে গিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবেন তাঁরা।

ঋতব্রত শিবিরের দাবি, সোমবারের বিশেষ অধিবেশনে গঠিত নতুন জাতীয় কর্মসমিতির তালিকা নির্বাচন কমিশনের হাতে তুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি, পরিষদীয় ও সাংগঠনিক উভয় ক্ষেত্রেই সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন তাঁদের দিকেই রয়েছে বলে কমিশনকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন তাঁরা।

এই উদ্যোগকে কটাক্ষ করেছে কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব। শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওঁদের তো আইনের জ্ঞান প্রচুর। যেখানে খুশি যাক।”

প্রাথমিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কমিশনের অনুমতি মিললে আগামী সপ্তাহেই ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল দিল্লিতে যাবে। কেন তাঁদেরই ‘আসল’ তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত, তার পক্ষে নথি ও তথ্য পেশ করবেন তাঁরা।

মঙ্গলবার কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরেও যান বিদ্রোহী শিবিরের কয়েকজন বিধায়ক। সূত্রের খবর, সেখানে নতুন জাতীয় কর্মসমিতির ৩০ সদস্যের তালিকা এবং সোমবারের বৈঠকের কার্যবিবরণী জমা দেওয়া হয়েছে। দফতর থেকে বেরিয়ে ঋতব্রত বলেন, ‘‘আমরা কমিশনের কাছে কোনও স্মারকলিপি জমা দিতে আসিনি। কিছু নথি দিয়েছি। সেগুলি প্রকাশ্যে আনা যায় না।’’

উল্লেখ্য, সোমবার রাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে উল্লেখ করে জাতীয় কর্মসমিতির তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দেন। সেই তালিকায় সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাখা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। এর পর থেকেই রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বেড়েছে।

অন্য দিকে, সোমবারের বিশেষ অধিবেশনে বিদ্রোহী শিবির মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করে এবং ৩০ সদস্যের নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। এখন নজর নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।


Share    

TMC