Narendra Modi

সংবিধান দিবসে প্রধানমন্ত্রীর নাগরিকদের ডাক, ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর পথে কর্তব্যবোধের বার্তা

৭৬তম সংবিধান দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নাগরিকদের কর্তব্যবোধের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভোটদান ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংবিধান ও জাতীয় স্বার্থকে শক্তিশালী করতে হবে৷ যা ভবিষ্যতের ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-কে নির্মাণ করবে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২৫ ০২:৪০

৭৬তম সংবিধান দিবস উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে চিঠি লিখে নাগরিকদের কর্তব্যবোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্য, ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ গড়তে হলে প্রতিটি নাগরিককে নিজের দায়িত্বে অবিচল থাকতে হবে। তিনি ভোটদান থেকে তরুণ সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে দায়িত্ববোধের গুরুত্বই তুলে ধরেছেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারতের অগ্রগতির মূল শক্তি সংবিধান। তাই প্রতিটি কাজ এমন হওয়া উচিত যা সংবিধানকে আরও দৃঢ় করে এবং জাতীয় স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তাঁর মতে, দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা থেকেই কর্তব্যবোধ তৈরি হয়। আর সেই অনুভূতিই ভবিষ্যৎকে শক্তিশালী করে তুলবে।

চিঠিতে নিজের কিছু স্মৃতির কথাও তুলে ধরেছেন মোদী। ২০১৪ সালে সংসদের সিঁড়িতে প্রণাম করা থেকে ২০১৯ সালে সংবিধান মাথায় তুলে নেওয়া, এই ঘটনাগুলি তাঁর কাছে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধানের শক্তিই একজন সাধারণ, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের সন্তানকে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বে পৌঁছে দিতে সক্ষম।

ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ, ড. বি. আর. আম্বেদকর এবং গণপরিষদের বিশিষ্ট নারী সদস্যদের অবদানকেও তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন। মোদীর মতে, এ বছরের সংবিধান দিবস আরও বিশেষ। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ও বীরসা মুন্ডার ১৫০তম জন্মবার্ষিকী, ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর এবং গুরু তেগ বাহাদুরের ৩৫০তম শহিদ দিবস এই সব ঐতিহাসিক মুহূর্ত কর্তব্যের গুরুত্বকে নতুন করে মনে করিয়ে দেয়।

দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে ভোটদানের দায়িত্বকে তিনি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর কথায়, কোনও নাগরিকেরই ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। পাশাপাশি প্রতি ২৬ নভেম্বর স্কুল-কলেজে নবীন ভোটারদের সম্মান জানানোর বিশেষ আয়োজন করার পরামর্শও দিয়েছেন।

চিঠির শেষে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন স্বাধীনতার শতবর্ষ ও সংবিধানের শতবর্ষে পৌঁছানোর পথে আজকের সিদ্ধান্তই আগামী ভারতের দিশা নির্ধারণ করবে। বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ববোধই ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করে তুলবে।


Share