Human Trafficking

নাবালিকাকে অপহরণ করে পালানোর অভিযোগে কলকাতায় ধৃত জম্মু ও কাশ্মীরের যুবক, নিয়ে যাওয়া হবে ট্রানজিট রিমান্ডে

কলকাতা স্টেশন চত্বর থেকে ধৃতকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জম্মু-কাশ্মীরে। তার বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা রয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, জম্মু
  • শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:০৩

এক নাবালিকাকে বাড়ি থেকে পালিয়ে আসার অভিযোগে জম্মু-কাশ্মীরের এক যুবককে গ্রেফতার করল রেল পুলিশ। ধৃতের নাম দানিশ আহমেদ তান্ত্রে। তার বাড়ি জম্মু-কাশ্মীরের বাদগাম জেলায়। মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতা স্টেশনের পার্কিং এলাকা থেকে চিৎপুর রেল পুলিশ থানার আধিকারিকেরা তাঁকে আটক করে।

বুধবার ধৃতকে আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক তাকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দানিশের বিরুদ্ধে জম্মু-কাশ্মীরের একটি থানায় নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেখানে কর্মরত পুলিশকর্তাদের কলকাতায় আসার কথা রয়েছে। তাঁরা আদালতে আবেদন জানিয়ে অভিযুক্তকে ট্রানজিট রিমান্ডে জম্মু-কাশ্মীরে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবেন।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে মঙ্গলবার বিকেলে। কলকাতা স্টেশনের পার্কিং লটে আরপিএফের একটি দল এক যুবক ও এক কিশোরীকে সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে। ফলে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের চিৎপুরের রেল পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দু’জনেরই বাড়ি জম্মু-কাশ্মীরে।

প্রথমদিকে কিশোরী তেমন কিছু বলতে না চাইলেও দীর্ঘক্ষণ জেরার পর পুলিশ তাদের বাড়ির ঠিকানা এবং সংশ্লিষ্ট থানার তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। এরপর জম্মু-কাশ্মীরের সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, নাবালিকার বাবা ইতিমধ্যেই দানিশের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই থানার পক্ষ থেকে মামলার নথিপত্র চিৎপুর রেল পুলিশের কাছে পাঠানো হয়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে কিশোরীকে জেলা চাইল্ড প্রোটেকশন ইউনিটের কাছে রাখা হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদেরও বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, প্রায় ১৫ বছর বয়সি ওই কিশোরীর সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের সম্পর্ক ছিল। গত শনিবার তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে ট্রেনে হাওড়া স্টেশনে পৌঁছোনোর পর সেখান থেকে কলকাতা স্টেশনে আসে। তদন্তকারীদের অনুমান, সেখান থেকে পুনরায় তাদের জম্মু-কাশ্মীরে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।


Share