Terrorist Arrested

নাশকতা চালানোর জন‍্য সাজানো হচ্ছিল নেটওয়ার্ক, গুজরাতে পাকিস্তানে ইসলামিক জঙ্গি যোগে ধৃত আট জন

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ধৃতদের অধিকাংশই গুজরাতের বানাসকাঁঠা, পাটণ ও নওসারি জেলার বাসিন্দা। এক জন মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস জেলার বাসিন্দা।

ধৃতদের ছবি প্রকাশ করেছে এটিএস।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ০৮:৩৯

পাকিস্তানের ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের যোগ থাকার অভিযোগে আট জনকে গ্রেফতার করল গুজরাত পুলিশের এটিএস। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতেরা সংগঠনের হয়ে নতুন সদস্যপদ সংগ্রহ, উগ্রপন্থী মতাদর্শের প্রচার এবং ভবিষ্যতে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য একটি সংগঠিত পরিকাঠামো তৈরির চেষ্টা করছিল।

ধৃতেরা হল, আহমেদ গাজিওয়ালা ওরফে আবু উবাইদা (১৯), ইব্রাহিম ঘাঘা (৩০), মুদাস্সির গাজিওয়ালা (২২), জাকারিয়া দুরানি মহম্মদ আম্মার ঘাঘা (২১), মুফতি ফইজান দাউয়া (৪০), মহম্মদ আমিন পালানপুরি (২১), মহম্মদ আব্দুল সাভদি (২২) এবং বিলাল দুরানি ঘাঘা (১৮)। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ধৃতদের অধিকাংশই গুজরাতের বানাসকাঁঠা, পাটণ ও নওসারি জেলার বাসিন্দা। এক জন মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস জেলার বাসিন্দা। ধৃতদের মধ্যে তিন জন সিদ্ধপুর ও চিখলির খারিজি মাদ্রাসার শিক্ষক ছিল। 

গুজরাত এটিএসের অভিযোগ, পাকিস্তানের ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের নির্দেশে ধৃতেরা একটি সুসংগঠিত মডিউল গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছিল। তার জন‍্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা যুবকদের জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শ বোঝাত। যুবকদের বুঝিয়ে সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ করাত। সেই নেটওয়ার্ক ব‍্যব্যবহার করে গুজরাতে-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সম্ভাব্য জঙ্গি কার্যকলাপের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল বলেও তদন্তকারীদের দাবি।

ঘটনায় বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের একাধিক ধারা এবং ভারতীয় ন‍্যায় সংহিতার রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করার ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতদের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বেশ কিছু ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তারা কার সঙ্গে যোগাযোগে ছিল, নেটওয়ার্ক, অর্থের উৎস, সদস্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া এবং সম্ভাব্য বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের দিকগুলি খতিয়ে দেখছে এটিএস।


Share