Pakistan Blast

পাকিস্তানের মসজিদে জুম্মার নমাজ পড়ার সময় আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, ঘটনায় ৩১ জনের মৃত্যু, জখম শতাধিক

হুসেন শাহ নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, মসজিদের মধ্যে তখন নমাজ পড়া হচ্ছিল। সেই সময় তীব্র বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। তখনই ভেবেছিলাম বড় কিছু ঘটেছে। গিয়ে দেখি, মসজিদের চাতালে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে দেহাংশ। আমি নিজেই ৩০টি দেহ গুনেছি।”

ইসলামাবাদের মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৮

শুক্রবারের নমাজ পড়ার সময় বিস্ফোরণ পাকিস্তানে। জানা গিয়েছে, ইসলামাবাদের মসজিদে সেই সময় জুম্মার নমাজ পড়ার আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটে। শেহজাদ টাউন এলাকার শিয়া টারলাই ইমামবাড়ার মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩১ জন নিহত হয়েছেন। ঘটনায় দেড়শ জনের বেশি মানুষ জখম হয়েছেন।

ইসলামাবাদের পুলিশ জানিয়েছে, আত্মঘাতী মানববোমাকে মসজিদের প্রবেশপথে থামানো হয়। তার পড়নে ‘সুইসাইড ভেস্ট’ ছিল। সেই সময় ওই জঙ্গি সুইজ টিপে নিজেকে উড়িয়ে দেয়। জাফর ইকবাল নামে এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছে, আমরা বেশ কয়েক জনকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। মৃতের সংখ্যা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনায় অনেকেই নিহত হয়েছেন।”

হুসেন শাহ নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, মসজিদের মধ্যে তখন নমাজ পড়া হচ্ছিল। সেই সময় তীব্র বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। তখনই ভেবেছিলাম বড় কিছু ঘটেছে। গিয়ে দেখি, মসজিদের চাতালে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে দেহাংশ। আমি নিজেই ৩০টি দেহ গুনেছি।” জখমদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

পাকিস্তানে সুন্নি জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি। অতীতেও বেশ কয়েক বার শিয়া মসজিদে হামলা ঘটনা ঘটেছে। খাইবার পাখতুনখোয়া এবং পাক অধিকৃত পঞ্জাবে এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও দায় স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তানের তেহরিক-ই-তালিবান এবং ইসলামিক স্টেট জঙ্গিগোষ্ঠীকে সন্দেহ করা হচ্ছে। কী ভাবে বিস্ফোরণ হয়েছে তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।


Share