Kaliganj Murder Case

মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের ঘণ্টা কয়েকের মধ্যেই অ্যাকশন, তমন্না খাতুন মৃত্যু মামলায় গ্রেফতার আরও দুই অভিযুক্ত

সেই সাক্ষাতের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মঙ্গলবার রাতে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নদিয়ার পলাশিপাড়া এলাকা থেকে জিয়ারুল শেখ ও সাবির শেখ নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কালীগঞ্জ থানার পুলিশ।

মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই গ্রেফতার ২ অভিযুক্ত।
নিজস্ব সংবাদদাতা, নদিয়া
  • শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ১২:৪৫

মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কালীগঞ্জের তমন্না খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আরও দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এর ফলে এই মামলায় মোট গ্রেপম্ফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩।

মঙ্গলবার নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন তমন্নার মা সাবিনা ইয়াসমিন। মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন। সেই সাক্ষাতের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মঙ্গলবার রাতে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নদিয়ার পলাশিপাড়া এলাকা থেকে জিয়ারুল শেখ ও সাবির শেখ নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কালীগঞ্জ থানার পুলিশ।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৩ জুন কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বোমার আঘাতে মৃত্যু হয়েছিল ছয় বছরের তমন্না খাতুনের। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া বোমাতেই প্রাণ হারায় শিশুটি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে ১১ জনকে গ্রেফতার করলেও বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে বারবার সরব হন তমন্নার মা।

সাবিনা ইয়াসমিন একাধিকবার অভিযোগ করেছিলেন, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তাঁর মেয়ের মৃত্যুর সুবিচার মেলেনি। তবে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর আস্থা প্রকাশ করেন তিনি। সেই ভরসা থেকেই মঙ্গলবার বিধানসভা ভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সাবিনা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিপিএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবং সিপিএম বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান।

সাক্ষাতের পর বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাবিনা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী আমাকে পুরোপুরি আশ্বস্ত করলেন। ভরসা পেয়েছি।’

এর আগে সোমবার কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার অতুল ভির কাছে তমন্না হত্যাকাণ্ডের বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপি জমা দেয় বামপন্থী সংগঠনগুলি। পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছিলেন, ১০ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই অবশিষ্ট অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে।


Share