Death

টোটো করে এসআইআরের শুনানিতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে দু’জনের মৃত্যু

জানা গিয়েছে, মাঝরাস্তায় টোটোটি উল্টে গিয়ে বিপত্তি ঘটে। সুস্তানি এলাকায় টোটোটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এরপরেই টোটোটি উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই ইয়াসিনের স্ত্রীর মৃত্যু হয়।

মৃতের পরিবার
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ
  • শেষ আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫০

ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন নিয়ে একাধিক জেলায় হয়রানির অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এসআইআর-এর শুনানিকেন্দ্রে যাওয়ার আগেই পথ দুর্ঘটনা ঘটল। সেই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে স্ত্রী ও পুত্রের। তাঁদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য রেখে স্থানীয় শিক্ষক শুনানি কেন্দ্রে ছুটলেন। টোটোর চালকের গাফিলতির কারণকেই কাঠগড়ায় তুললেন স্থানীয়েরা।

মালদহের গাজোল থানার খড়দহিল এলাকার বাসিন্দা এমডি ইয়াসিন আনসারি। তিনি কালিয়াচকের সুজাপুর নয়মৌজা হাই মাদ্রাসার শিক্ষক। ওই শিক্ষক কর্মসূত্রে সুজাপুরেই পরিবার নিয়ে থাকতেন। লজিক্যাল ডিস্ক্রেপেন্সির তালিকায় ওই শিক্ষককে শুক্রবার-এর শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। সেইমতো বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রী হালিমা খাতুন এবং নয় মাসের পুত্র সন্তান আরিফ হাসানকে সঙ্গে নিয়ে বাস ধরবেন বলে টোটো করে আমবাজার আসছিলেন।

জানা গিয়েছে, মাঝরাস্তায় টোটোটি উল্টে গিয়ে বিপত্তি ঘটে। সুস্তানি এলাকায় টোটোটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এরপরেই টোটোটি উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই ইয়াসিনের স্ত্রীর মৃত্যু হয়। পুত্র সন্তানকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়। দু’টি দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। এ দিন সকালে তাকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। স্ত্রী ও পুত্রের দেহ ময়নাতদন্ত কেন্দ্রে রেখেই ছুটতে হয় শুনানি কেন্দ্রে।

মৃতের দাদা আব্দুর রহমান আনসারী জানান, দু’জনের দেহ মর্গে আছে। কালকে আসার সময়ে তাদের দুর্ঘটনা ঘটে। ইয়াসিনকে গাজোলে যেতে হয়েছে শুনানির জন্য। আমরাই হাসপাতালে অপেক্ষা করছি দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্যে।


Share