Kasba Murder Case

কসবাকান্ডে অবশেষে গ্রেফতার দু’জন, ফাঁদ পেতেই কি আদর্শকে হোটেলে ডেকে খুন? দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ

শনিবার দুপুরে কসবার হোটেল কনস‍্যুলেট থেকে আদর্শ লোসাঙ্কা বলে এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর বাড়ি বীরভূমের দুবরাজপুরে। তিনি সল্টলেকের পিডাব্লুসি-তে চাটার্ড অ‍্যকাউন্ট ছিলেন। জানা গিয়েছে, দেহ উদ্ধারের সময় আদর্শের পরনে কিছু ছিল না। পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল।

কসবা কান্ডে গ্রেফতার দু’জন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০২৫ ০৪:৩৬

কসবাকান্ডে অবশেষে গ্রেফতার দু’জন। ধৃতদের মধ্যে একজন তরুনী ও অপর জন যুবক। ধৃত তরুনীর নাম কমল সাহা এবং যুবকের নাম ধ্রুব মিত্র। পুলিশ সূত্রের খবর, কমল কনটেন্ট রাইটার। এই তিন জনের মধ্যে অন্তত দু’জনের সঙ্গে সমাজমাধ্যমে পরিচয় ছিল। রবিবার দুপুরে কসবা থানায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। ধৃতদেরকে দমদমের পূর্ব সিঁথি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ধৃতদের এখন কসবা থানায় রাখা হয়েছে। শুক্রবার রাতে ঠিক কী হয়েছিল, তা জানতে ধৃতদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এখনও আদর্শ লোসাল্কার দুটি ফোন পাওয়া যায়নি। মৃতের বন্ধুদের কথায়, আদর্শের সমস্ত সমাজমাধ্যমের অ‍্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। হয়াটসআপের সমস্ত গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। কেন, তা নিয়ে রহস‍্য দানা বেঁধেছে। জানা গিয়েছে, ধৃত তরুণী কমল সাহার বাড়ি ব‍্যারাকপুরের মোহনপুরে এবং যুবক ধ্রুব মিত্রের বাড়ি নদিয়ায় রানাঘাটের কুপারর্স ক‍্যাম্পে।

আদর্শের জেঠু সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, হোটেলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে কী আছে, তা তাঁরা জানতে পেরেছেন। সেখানে দেখা গিয়েছে, রাতে আদর্শ নিজের ঘর থেকে বেরিয়ে সঙ্গীদের ঘরে ঢুকছেন। কিন্তু কেন তিনি ওই ঘরে গেলেন, বাকি দু’জনের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক, এখনও স্পষ্ট নয়। পরিবারের কেউ সে ব্যাপারে আলোকপাত করতে পারেননি। আদর্শের মৃত্যুর খবরে দুবরাজপুরে শোকের ছায়া। তাঁর বিরুদ্ধে কারও আক্রোশ থাকতে পারে, কারও এই ধরনের শত্রুতা থাকতে পারে, ভাবতেও পারছেন না পরিবারের সদস্য এবং পরিচিতেরা। দেহ উদ্ধারের সময় আদর্শের পা বাঁধা ছিল বলেও জানিয়েছেন তাঁর জেঠু।

শনিবার দুপুরে কসবার হোটেল কনস‍্যুলেট থেকে আদর্শ লোসাঙ্কা বলে এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর বাড়ি বীরভূমের দুবরাজপুরে। তিনি সল্টলেকের পিডাব্লুসি-তে চাটার্ড অ‍্যকাউন্ট ছিলেন। জানা গিয়েছে, দেহ উদ্ধারের সময় আদর্শের পরনে কিছু ছিল না। পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। নাক দিয়ে বের হচ্ছিল রক্ত। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আদর্শকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। ওই দিনই গভীর রাতেই তরুনী-সহ দু’জন হোটেল থেকে বেরিয়ে যায়। থেকে যায় আদর্শ। শনিবার দুপুরে হোটেলে ঘর থেকে দেহ উদ্ধার হয়।


Share