110 crore taka allocated for road construction

বর্ষা শেষ হতেই রাস্তা তৈরিতে তৎপর রাজ্য, বরাদ্দ হয়েছে ১১০ কোটি টাকা

রাজ্য সরকার জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গে রাস্তা সারাইয়ের কাজ কর কদমে চলছে। গত অক্টোবরে বালাসন নদীর ওপর দুধিয়া সেতুটি ভেঙে পড়েছিল। জার ফলে শিলিগুড়ি ও মিরিখের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যায়। ১৬ দিনের মধ্যে সেই সেতুটি তৈরি করা হয়েছিল।

পূর্ত দফতর
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১০ নভেম্বর ২০২৫ ০৭:০৬

একদিকে পুরোন ভাঙা রাস্তা সারান অন্যদিকে নতুন রাস্তা তৈরি, বৃষ্টির রেস কাটতে না কাটতেই একসঙ্গে দুটো কাজ শুরু করেছে পূর্ত দফতর। রাজ্য জুড়ে রাস্তা ঘাটের উন্নতির জন্য প্রথম দফায় ১১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে পূর্ত দফতর। নতুন রাস্তা নির্মাণের জন্য গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়ন তহবিল থেকে খরচ হবে ওই টাকা। এবার তীব্র বর্ষণে ভেসেছে গোটা রাজ্য। 

অন্যান্য বারের মতো দুর্গাপুজোর আগে রাস্তাঘাট সারানোয় হাত দিতে পারেনি রাজ্য। কিন্তু তখনই টেন্ডার ডেকে কয়েকটি সংস্থাকে রাস্তা সারাইয়ের বরাত দেওয়া হয়েছিল। নভেম্বর মাসের শুরুতেই সেই রাস্তা সারাইয়ের কাজ শুরু করেছে রাজ্য সরকার। পূর্ত দফতরের অধীনে থাকা ৪২০ কিলোমিটার রাস্তা সারানো হবে।

উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা গুলি সারানোর কাজ আগেই শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের তহবিল থেকে আরও ন'টি রাস্তা সারানোর কাজ শুরু হচ্ছে। অতিবৃষ্টিতে এবার প্রায় দু'হাজার সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পূর্ত দফতরের অধীনে সেগুলোরও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেগুলির সংস্কার করা হবে। 

পূর্ত দফতরের সচিব অন্তরা আচার্য নির্দেশ দিয়েছেন, কাজ শুরু হলে প্রয়োজনে ইঞ্জিনিয়াররা রাস্তায় নামবেন। ঠিকাদাররা মালমশলা ঠিক মত ব্যবহার করছেন কিনা বা ঠিক মত বিধি নিষেধ মেনে কাজ হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। 

খোদ সচিবও রাস্তায় নেমে কল্যাণী এক্সপ্রেস হাইওয়ের কাজ দেখেছেন। পূর্ত দফতর নির্দেশ দিয়েছেন, যে সংস্থা বা ঠিকাদার রাস্তার কাজের দায়িত্ব নেবে আগামী তিন বছরের জন্য সেই রাস্তা দেখভাল করার দায়িত্ব সেই ঠিকাদারই নেবে। রাস্তা তৈরিতে যাতে কোন সংস্থা ফাঁকি না দেয় সেই জন্যই এই ব্যবস্থা। 

রাজ্য সরকার জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গে রাস্তা সারাইয়ের কাজ কর কদমে চলছে। গত অক্টোবরে বালাসন নদীর ওপর দুধিয়া সেতুটি ভেঙে পড়েছিল। জার ফলে শিলিগুড়ি ও মিরিখের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যায়। ১৬ দিনের মধ্যে সেই সেতুটি তৈরি করা হয়েছিল। তার জন্য খরচ হয়েছে ৫৪ কোটি টাকা। তাছাড়া নাগরাকাটায় কালিখোলা সেতুও নতুন করে গড়ে তোলা হয়েছে। সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ১৩ অক্টোবর সেটির কাজ শুরু হয়, কাজ শেষ হতে লেগেছে ১৮ দিন।


Share