Suicide Death

অনলাইন গেমে আপত্তি বাবা ও মায়ের, অভিমানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিন বোনের! বহুতলের ১০তলা থেকে ঝাঁপ দেন তিন কিশোরী

সূত্রের খবর, সম্প্রতি অনলাইনে একটি টাস্ক-বেস্‌ড গেম (যে গেমগুলি খেলার সময়ে গেমের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হয় এবং তার ভিত্তিতে লেভেল বৃদ্ধি পায়)-এর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছিল ওই তিন বোন। ওই গেম খেলা নিয়েই বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের ঝামেলা হয়েছিল।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, গাজিয়াবাদ
  • শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:৩৮

অনলাইনে গেম খেলতে বারণ করে দিয়েছিলেন বাবা-মা। তার ফলেই অভিমানে বহুতলের আবাসনের ১০তলা থেকে একসঙ্গে ঝাঁপ দিল তিন বোন। মঙ্গলবার রাত ২টো নাগাদ উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে ১২, ১৪ এবং ১৬ বছর বয়সি ওই তিন নাবালিকার।

জানা যাচ্ছে, তিন বোনেরই অনলাইনে গেমের প্রতি আসক্ত ছিল। করোনার অতিমারির সময় থেকেই মোবাইলে গেমের প্রতি ঝোঁক বাড়তে থাকে তাদের। অতিমারি শেষ হলেও সেই আসক্তি কমার কোন সম্ভবনা দেখছিলেন না বাবা ও মা। এমনকি মাঝেমধ্যে স্কুলে না গিয়ে গেম খেলতে বসে যেত তিন কিশোরী।

তিন মেয়ের অনলাইন গেমের প্রতি এমন আসক্তি বাবা-মায়ের পছন্দ ছিল না। সারাক্ষণ মোবাইলে মুখ গুঁজে গেম খেলা নিয়ে প্রায়শই বকাবকিও চলত। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতেও ওই গেম খেলা নিয়ে বাড়িতে অশান্তি বাধে। বাবা-মা গেম খেলতে দিচ্ছিলেন না তিন বোনকে। এর পরেই তিন কিশোরী একসঙ্গে আবাসনের ১০তলা থেকে ঝাঁপ দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই গাজিয়াবাদ লোনি এলাকার ওই আবাসনে পৌঁছে যায় টিলা মোড় থানার পুলিশ।

দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত কিশোরীদের পরিবার এবং আবাসনের অন্য বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করেন আধিকারিকেরা। প্রাথমিক ভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে করছে পুলিশ। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই এ বিষয়ে নিশ্চিত ভাবে বলা সম্ভব বলে মনে করছেন আধিকারিকেরা।

সূত্রের খবর, সম্প্রতি অনলাইনে একটি টাস্ক-বেস্‌ড গেম (যে গেমগুলি খেলার সময়ে গেমের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হয় এবং তার ভিত্তিতে লেভেল বৃদ্ধি পায়)-এর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছিল ওই তিন বোন। ওই গেম খেলা নিয়েই বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের ঝামেলা হয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, বাবা-মায়ের বকাবকি এবং গেম খেলায় আপত্তির কারণেই তিন বোন এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।


Share