Special Intensive Revision

৮৫-উর্ধ্ব কাউকে শুনানিকেন্দ্রে যেতে বাধ‍্য করলে শাস্তির মুখে পড়তে পারেন বিএলও, বিতর্কের আবহে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন

৮৫ বছরের উর্ধ্বে, অসুস্থ, বিশেষ ভাবে সক্ষমদের শুনানিতে ডাকা যাবে না। তার বাড়িতে গিয়ে শুনানি হবে। বিএলও এবং এইআরও-রা তাঁদের বাড়িতে যাবেন। নথি যাচাই সেখানেই হবে। ইতিমধ্যেই এমন ভোটার যাঁদেরকে ডাকা হয়ে গিয়েছে, তাঁদের ফোন করে আসতে বারোন করারও নির্দেশ দেয় সিইও দফতর।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:১২

৮৫-উর্ধ্ব কাউকে শুনানিকেন্দ্রে দেখা গেলে কড়া ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন। সে ক্ষেত্রে দায়ী থাকবে সংশ্লিষ্ট বুথ স্তরের আধিকারিক এবং সুপারভাইজার। শাস্তিও হতে পারে তাঁদের। কমিশনের নির্দেশ অমান্য করে এমন মানুষদের শুনানিকেন্দ্রে যেতে বাধ্য করলে তাঁদের জবাবদিহি চাওয়া হতে পারে।

৮৫ বছরের ওপরে ভোটারদের এসআইআর-এর শুনানির জন্য ডাকা যাবে না বলে আগেই জানিয়েছে কমিশন। ছাড় দেওয়া হয়েছে অসুস্থ এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম ভোটারদের। তার পরেও দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন শুনানিকেন্দ্রে ৮৫ বছরের বেশি বয়সী ভোটারেরা আসছেন। এমনকী, অ‍্যাম্বুলেন্সে করে শুনানিকেন্দ্রে আসতে দেখা গিয়েছে। প্রথমে এই সংক্রান্ত কোনও বিবৃতি না দিলেও, পরে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিষয়টি নিশ্চিত করতে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের বলা হয়। 

বলা হয়, ৮৫ বছরের উর্ধ্বে, অসুস্থ, বিশেষ ভাবে সক্ষমদের শুনানিতে ডাকা যাবে না। তার বাড়িতে গিয়ে শুনানি হবে। বিএলও এবং এইআরও-রা তাঁদের বাড়িতে যাবেন। নথি যাচাই সেখানেই হবে। ইতিমধ্যেই এমন ভোটার যাঁদেরকে ডাকা হয়ে গিয়েছে, তাঁদের ফোন করে আসতে বারোন করারও নির্দেশ দেয় সিইও দফতর।

কিন্তু তার পরেও ছবিটা বদলায়নি। শুনানিকেন্দ্রে আসছেন ৮৫ বছরের উর্ধ্বে ভোটার। কমিশন মনে করছে, কিছু বিএলও-রা নির্দেশ মানছে না। এ বার তা নিয়ে আরও কড়া হল কমিশন। কোনও ভাবেই এমন ভোটারদের শুনানি কেন্দ্রে ডাকা যাবে না। যদি শুনানিকেন্দ্রে কাউকে আসতে বাধ্য করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট বুথ স্তরের আধিকারিক এবং সুপারভাইজারেরা দায়ী থাকবেন। প্রয়োজনে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে কমিশন। তাঁদের কাছ থেকে জবাবদিহিও চাওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।


Share