Park Street Murder Case

পার্ক স্ট্রিটের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়, লুঠ করতে গিয়ে নিজেই খুন হন যুবক, ওড়িশা থেকে গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত

রুপেশ জানান, তার জন‍্য রাহুল তার দাদা ব্রায়েনের আধার কার্ড ব্যবহার করেন। এর পাশাপাশি সন্তোষ তার পরিচয়পত্র দেন। সেই পরিচয়পত্র আসল না নকল তা স্পষ্ট করেননি যুগ্ম কমিশনার। তিনি বলেন, “এখনও তদন্ত চলছে। সব দিকটা বিবেচনা করা হচ্ছে।”

সাংবাদিক বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) রুপেশ কুমার।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ০৪:৫৯

গত ২২ অক্টোবর রফি আহমেদ কিদওয়াই রোডের একটি বোটের রুমে খুন হন এক যুবক। সেই ঘটনায় চার দিন পরে ওড়িশা থেকে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। কলকাতা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) রূপেশ কুমার জানান, রাহুল লাল দুই অভিযুক্তকে কলকাতা ঘোরানোর নাম করে হোটেলের রুমে নিয়ে যান। তার কথায়, রাহুল তাঁদেরকে ছুরি দিয়ে ভয় দেখিয়ে লুঠপাট করার চেষ্টা করেছিল। দু’পক্ষের হাতাহাতিতে অভিযুক্তদের মধ্যে একজন রাহুলের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করেছে।

বৃহস্পতিবার যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) রুপেশ কুমার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, শক্তিমান বেহরা এবং সন্তোষ বেহরা ওড়িশা থেকে কলকাতা বড়বাজারে প্লাস্টিকের ফুল কিনতে এসেছিলেন। ওড়িশায় তাদের ফুলের সজ্জার ব‍্যবসা রয়েছে। এর পরে তাঁরা ভিক্টোরিয়া যান। সেখানে রাহুল লালের সঙ্গে যোগাযোগের হয়। রাহুল তাদের কলকাতা ঘুরিয়ে দেখার কথা জানান। এর পরে মদের একটি বোতল কিনে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট নাগাদ পার্ক স্ট্রিট থানার একটি হোটেলে ওঠেন।

রুপেশ জানান, তার জন‍্য রাহুল তার দাদা ব্রায়েনের আধার কার্ড ব্যবহার করেন। এর পাশাপাশি সন্তোষ তার পরিচয়পত্র দেন। সেই পরিচয়পত্র আসল না নকল তা স্পষ্ট করেননি যুগ্ম কমিশনার। তিনি বলেন, “এখনও তদন্ত চলছে। সব দিকটা বিবেচনা করা হচ্ছে।”

এর পরে তিন জনে মিলে ঘরের ভেতরে মদ‍্যপান করেন। খাবার খাওয়ার পরে ছুরি নিয়ে রাহুল সন্তোষ এবং শক্তিমানের কাছে লুঠ করার চেষ্টা করেন। এতে দু’পক্ষের বচসা শুরু হয়। ধাক্কাধাক্কি হয়। পড়ে যায় রাহুল লাল। এর পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ রাহুলের গলায় গামছা দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে চেপে ধরে। অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে গেলে তারা রাহুলকে বক্স খাটের ভিতরে ফেলে হোটেল থেকে বেরিয়ে যায়।


Share