Prashant Kishore’s Name in Two Voter List

জন সুরাজ পার্টির নেতা প্রশান্ত কিশোরের নাম বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গে! সিইওর কাছে রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, “এসআইআর শুধু বিহারের হয়েছে। বিহারের সময় মেশিন রিডেবল ছিল না। এ বার তো সারা দেশে হচ্ছে। আজ বিহার থেকে আমার কাছে একটা এপিক নম্বর দেওয়া হয়। আমরা বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছি।”

জন সুরাজ পার্টির নেতা প্রশান্ত কিশোর।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ১০:২৫

পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মাঝেই পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে জন সুরাজ পার্টির নেতা প্রশান্ত কিশোরের নাম। এমন অভিযোগ ঘিরে তুঙ্গে উঠেছে বিতর্ক। বিহারের সিইওকে রিপোর্টও দিয়েছেন এই রাজ্যের মুখ‍্য নির্বাচনী আধিকারিক। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মধ্যরাতেই ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ’ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা অনুযায়ী, প্রশান্ত কিশোর কলকাতার বাসিন্দা। ঠিকানা দেওয়া আছে ১২১, কালীঘাট রোড। ওই এলাকাটি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই কেন্দ্র থেকে জিতেই রাজ‍্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। সেই সঙ্গে বিহারের রোহতাস জেলার সাসারাম লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত করহগরের ভোটার তালিকাতেও রয়েছে জন সুরজ পার্টির নেতা প্রশান্ত কিশোরের নাম।

২০১৮ সালে লোকসভা নির্বাচনে আশানুরূপ ফল না হওয়ায় ভোটকুশলী হিসেবে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সঙ্গে যোগাযোগ করে শাসকদল তৃণমূল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে আইপ‍্যাক কাজ করেছে। অভিযোগ, সেই সময়ই প্রশান্ত কিশোরের নাম ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোটার তালিকায় উঠেছে।

সূত্রের দাবি, কলকাতায় ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়ার জন্য একটি আবেদন করা হয়েছিল। তাহলে এখনও কেন তাঁর নাম একসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারে রয়েছে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। সম্প্রতি বিহারে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন হয়েছে, তার পরেও কেন পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে প্রশান্তের নাম বাদ পড়ল না, সে প্রশ্নও উঠেছে। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন রাজ‍্যের মূখ‍্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে। কমিশন সূত্রের খবর, কমিশন সূত্রের খবর, ১৯৫০ সালের ভারতীয় জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৭ নম্বর ধারায় ২৮ অক্টোবর কমিশনের তরফে প্রশান্তের জবাবদিহি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, “এসআইআর শুধু বিহারের হয়েছে। বিহারের সময় মেশিন রিডেবল ছিল না। এ বার তো সারা দেশে হচ্ছে। আজ বিহার থেকে আমার কাছে একটা এপিক নম্বর দেওয়া হয়। আমরা বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছি।” 


Share