Cyber Crime

বাড়ছে সাইবার অপরাধ, ১০টি ডিভিশনই সাইবার থানা তৈরি করার পরিকল্পনা কলকাতা পুলিশের

হোয়াইট-কলার বা সাইবারের মতো সংঘটিত অপরাধে ঠেকাতে প্রতিটি ডিভিশনে একটি করে থানা তৈরি করার পরিকল্পনা আগেই করা হয়েছিল। তার জন্য নবান্নের অনুমোদন প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই নবান্নের স্বরাষ্ট্র এবং পাহাড় বিষয়ক দফতরের কাছে একটি অনুমোদন গিয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:১৭

বেড়ে চলেছে সাইবার অপরাধ। শহরের সাইবার জালিয়াতির তদন্ত করতে প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করতে এ বার নতুন উদ্যোগ নিল লালবাজার। লালবাজার সূত্রের খবর, কলকাতা পুলিশের ১০টি ডিভিশনে একটি করে সাইবার থানা তৈরি করা হবে। তার তোড়জোড় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

হোয়াইট-কলার বা সাইবারের মতো সংঘটিত অপরাধে ঠেকাতে প্রতিটি ডিভিশনে একটি করে থানা তৈরি করার পরিকল্পনা আগেই করা হয়েছিল। তার জন্য নবান্নের অনুমোদন প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই নবান্নের স্বরাষ্ট্র এবং পাহাড় বিষয়ক দফতরের কাছে একটি অনুমোদন গিয়েছে। 

বর্তমানে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অধীনে মাত্র একটি সাইবার থানা রয়েছে। সেখানেই শহরের সমস্ত অভিযোগ জমা পড়ে। এ ছাড়াও, জালিয়াতিতে খোয়া যাওয়া টাকা এবং উদ্ধার করার জন্য সবকটি ডিভিশনে সাইবার সেল রয়েছে। কিন্তু, সেখানে মামলার তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার পর্যাপ্ত পরিকাঠামো নেই। সেই খামতি ঢাকতেই, নতুন উদ্যোগ বলে লালবাজার সূত্রে খবর।

লালবাজারের সাইবার বিভাগ সূত্রে খবর, ২০২৪ সালে শহরবাসী সাইবার প্রতারণার শিকার হয়ে মোট ২৭৯ কোটি টাকা খুইয়েছিলেন। এর পরেই সাইবার বিভাগের পদ্ধতিতে আমূল বদল আনা হয়। দফতরে আসে নতুন সফটওয়্যার। যা সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নির্ভর। পুলিশের গোয়েন্দা দফতর সূত্রের, ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-সহ বিভিন্ন প্রযুক্তি নির্ভর অপরাধ দমনে সক্ষম এই বিশেষ সফটওয়্যার। যদিও ২০২৫ সালের শেষে সাইবার অপরাধের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ আর্থিক হানি কমানো সম্ভব হয়েছে। কিন্তু, এখনও গত বছরের প্রতারিত অর্থের অঙ্ক বেশ অনেকটাই বেশি। কলকাতার কমিশনার মনোজ বর্মা জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে সাইবার প্রতারণায় খোয়া যাওয়া টাকার পরিমাণ ২১০ কোটি। 


Share