ED Arrest Sand Mafia

অবৈধ ভাবে বালি পাচারের অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার, ইডির জালে জিডি মাইনিং সংস্থার মালিক

এর আগে অক্টোবর মাসে বালি পাচার মামলায় কলকাতা, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনার-সহ ২২টি ঠিকানায় অভিযান চালায় ইডি আধিকারিকরা। সংস্থার কর্মী থেকে শুরু করে বালি যে ট্রাকে নিয়ে আসা হয়, তার চালকদের বাড়িতেও তল্লাশি চলে। সেই সুত্রেই জিডি মাইনিং নামে একটি সংস্থার নাম সামনে আসে।

বালি পাচার মামলায় প্রথম গ্রেফতার।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৬ নভেম্বর ২০২৫ ০৯:৩৩

অবৈধ ভাবে বালি পাচার মামলায় প্রথম গ্রেফতারি। জিডি মাইনিং সংস্থার মালিক অরুণ শ্রফকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অভিযোগ, অরুণ সরকারি চালান জাল করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সেই টাকা আমেরিকা, দুবাই, ব‍্যাঙ্ককে পাচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

ইডি সূত্রের খবর, অরুণ শ্রফকে হাওড়ার বালি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ৮ অক্টোবর অবৈধ বালি পাচার মামলায় তদন্তে নেমে কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া-সহ রাজ‍্যের মোট ২২টি জায়গায় তল্লাশি চালায় চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ওই দিন ইডির আধিকারিকেরা সল্টলেকের জিডি মাইনিং সংস্থার কর্ণধার অরুণ শ্রফের অফিস এবং বেহালায় ওই সংস্থার রেজিস্ট্রার্ড অফিসেও অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলে কল‍্যাণীতে জিডি মাইনিং সংস্থার ডিরেক্টর ধীমান চক্রবর্তীর বাড়িতেও।

ইডি সূত্রের খবর, খাদান থেকে সরকারের বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে বেশি বালি উত্তোলন করা হয়েছে। সেই বালি পাচার করে যে অতিরিক্ত টাকা তোলা হয়েছে, তা আমেরিকা, দুবাই এবং ব‍্যাঙ্ককে পাচার করা হয়েছে। এমনকি টাকা পৌঁছে গিয়েছে কিছু প্রভাবশালীর কাছেও। ইডি সূত্রে এ-ও জানা গিয়েছে, এই বালি পাচার করতে সরকারি চালান জাল করা হয়েছে। সেই নকল চালান ব‍্যবহার করে কলকাতায় বালির ট্রাক পাঠানো হয়েছে বলেও জানতে পেরেছে ইডির তদন্তকারীরা।

অবৈধ ভাবে বালি পাচার মামলায় ওই দিন অফিস এবং বাড়ি থেকে একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায় ইডির তদন্তকারীরা। তা খতিয়ে দেখেই বিদেশে টাকা পাচার করার প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি। এর পাশাপাশি, অবৈধ ভাবে বালি পাচারের টাকা বীমা সংস্থায়তেও বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে ইডির সূত্র দাবি করেছে।

জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন বিএলএলআরও এবং পুলিশের স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে করা বেশ কিছু এফআইআরের একত্রিত করে ইডি ইসিআইআর করে। তার ভিত্তিতেই ৮ অক্টোবর অভিযান চালানো হয়েছিল বলে জানা যায়। ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বর্ধমান রেঞ্জের পুলিশ বেশ কয়েকটি বালির ট্রাক ধরে এফআইআর করেছিল। অভিযোগ ছিল, কলকাতাগামী বালির ট্রাক রাস্তায় চলতে জাল নথি ব্যবহার করছে। সেই সুত্রেই জিডি মাইনিং নামে একটি সংস্থার নাম সামনে আসে।


Share