Special Intensive Revision

বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যে বিএলওরা নিয়োগপত্র না নিলে সাসপেন্ড করবে নির্বাচন কমিশন, জারি নির্দেশিকা

বুধবার এই বিষয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিহারে ৫২ জন বিএলও জেলে আছে। এটা মাথায় রেখে তৃণমূলের কথা শুনবেন। বিজেপির কথা শুনতে হবে না। নির্বাচন কমিশনের কথা শুনুন।বিহারের বিএলওরা এখনও জামিন পায়নি।”

বিএলওদের হুঁশিয়ারি কমিশনের।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ০১:১৩

বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-রা ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধ (এসআইআর)-এর কাজের নিয়োগপত্র নিচ্ছেন না। নানা বাহানা দিচ্ছেন। এ বার তার জন্য সময় বেঁধে দিল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে নিয়োগপত্র তাঁদের নিয়োগপত্র নিতে হবে। যদি না নেন তাহলে সাসপেন্ড করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যে সমস্ত জেলায় এই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে, সেই সব জেলার জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছে সিইও দফতর।
কমিশন সূত্রের খবর, কলকাতা উত্তর, মুর্শিদাবাদ এবং কোচবিহারে প্রায় ১৪৩ জন বিএলওরা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে চাইছেন না। নানা বাহানা দিচ্ছেন। তাঁদেরকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে নিয়োগপত্র গ্রহণ করতেই হবে। যদি তারা না করেন, তাহলে তাঁদের সাসপেন্ড করা হবে। সেই মর্মে সিইও অফিস থেকে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা ডিইওদের নির্দেশ দেওয়া হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

রাজ্যে এসআইআর ঘোষণা করা হলেও বিএলওরা মাথাব‍্যাথার কারণ নির্বাচন কমিশনের। ইতিমধ্যেই ৮০ হাজারের বেশি বুথে বিএলও নিয়োগ করা গিয়েছে। কিছু বুথে এখনও বিএলও নিয়োগ করা যায়নি। সেই নিয়োগ তা দ্রুত শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রের খবর, কিছু জায়গায় এই সমস্যা রয়েছে। তা দ্রুত মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

কমিশনের এক আধিকারিকের কথায়, এটা একটা সরকারি কাজ। রাজ‍্য সরকার তাদের নির্বাচনের কাজ করার নিয়োগ করেছে। কাজ করব না এমন তারা বলতে পারেন না। তাদের কোনও এক্তিয়ার নেই। এমন হলে কমিশন তাদের সাসপেন্ড করতে পারে।

একাধিক বিএলওদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, অনেক বুথে তৃণমূল কর্মী বা নেতাদের বিএলও হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। বুধবার এই বিষয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিহারে ৫২ জন বিএলও জেলে আছে। এটা মাথায় রেখে তৃণমূলের কথা শুনবেন। বিজেপির কথা শুনতে হবে না। নির্বাচন কমিশনের কথা শুনুন।বিহারের বিএলওরা এখনও জামিন পায়নি।”


Share