Special Intensive Rivision

৩২ লক্ষ ভোটারের লিঙ্কেজ জট খুলতে নতুন পদক্ষেপ কমিশনের, বিএলও অ্যাপে যুক্ত ‘রি-ভেরিফাই’ অপশন

শনিবার সকালে বিএলও অ্যাপে বিএলও অ্যাপে যুক্ত হওয়া নতুন অপশনটির নাম ‘রি-ভেরিফাই লজিক্যাল ডিস্ক্রেপেন্সি’। নতুন একটি অপশন যুক্ত হওয়ায়, শুনানিতে ডাকা ভোটারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৭:০১

রাজ্যে এসআইআর-এর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরই সামনে এসেছে বড় তথ্য। কমিশনের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে কমবেশি ৩২ লক্ষ ভোটারের কোনও লিঙ্কেজ খুঁজে পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, ম্যাপিং প্রক্রিয়ায় তাঁদের হদিশ মিলছে না। কমিশনের তরফে আগে জানানো হয়েছিল, এই সব ভোটারকেই শুনানিতে ডাকা হবে। তবে শনিবার সকালে বিএলও অ্যাপে নতুন একটি অপশন যুক্ত হওয়ায়, শুনানিতে ডাকা ভোটারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

বিএলও অ্যাপে যুক্ত হওয়া নতুন অপশনটির নাম ‘রি-ভেরিফাই লজিক্যাল ডিস্ক্রেপেন্সি’। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বহু ভোটারের ক্ষেত্রেই ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় থাকা নামের সঙ্গে ২০০২ সালের তালিকায় থাকা নামের অমিল রয়েছে।

এই সমস্যার সমাধান করতেই নতুন অপশনটি চালু করা হয়েছে। ওই অপশনে ক্লিক করলে বিএলও অ্যাপে একটি ইন্টারফেস খুলবে, যেখানে লেখা রয়েছে— ‘আপলোড প্রুফ অফ রিলেশনসিপ (প্যারেন্টস)’। অর্থাৎ, নামের অমিলের কারণে যাঁদের লিঙ্কেজ সমস্যায় পড়েছে, তাঁদের অভিভাবকের সঙ্গে সম্পর্কের প্রমাণপত্র আপলোড করতে হবে। পাশাপাশি বিএলও-কে মুচলেকা দিতে হবে যে, সংশ্লিষ্ট ভোটারের সমস্ত নথি তিনি যাচাই করেছেন এবং শেষ এসআইআর তালিকায় থাকা নাম ও বর্তমান ভোটার তালিকার নাম একই ব্যক্তির।

তবে এই নতুন ব্যবস্থায় বিএলও-দের দায়িত্ব ও চাপ যে বেড়েছে, তা মানছেন ভোটকর্মীরাও। তবে কমিশনের নতুন এই পদক্ষেপের ফলে শুনানিতে ডাকা ভোটারের সংখ্যা অনেকটাই কমে যাবে বলেই মনে করছেন প্রশাসনিক মহলের একাংশ।


Share