Murder Case

পার্কস্ট্রিটে সম্পত্তি বিবাদকে কেন্দ্র করে ভাইকে মারধর! হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু, গ্রেফতার অভিযুক্ত

ভাইয়ের মারধরে গুরুতর আহত নীরজ জয়সওয়াল এনআরএস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঘটনায় মৃতের ছেলের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মৃতের ভাই ধীরজ জয়সওয়ালকে গ্রেফতার করেছে। তাঁকে বুধবার আদালতে হাজির করানো হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, পার্কস্ট্রিট
  • শেষ আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৬:২৭

পার্কস্ট্রিট থানা এলাকায় পারিবারিক বিবাদকে কেন্দ্র করে মারধর। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃতের নাম নীরজ জসওয়াল (৫৫)। ঘটনায় মৃতের ভাই ধীরজ জয়সওয়ালকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করানো হয়েছে।

লালবাজার সূত্রের খবর, ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। ওই দিন সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে। অভিযোগ, ৩৬/এ, এ.জে.সি. বোস রোডের সামনে পারিবারিক সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে নীরজ তাঁর ভাই ধীরজের মধ্যে বচসা শুরু হয়। বচসা চরমে উঠলে হাতাহাতি শুরু হয়। ধীরজ সজোরে ঘুষি মারেন নীরজ জয়সওয়ালকে। মারধরের জেরে নীরজ মাটিতে পড়ে যান। ইটের ওপর মাথা লেগে গুরুতর আঘাত পান। এরপর তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়েন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি লক্ষ্য করে পরিবারকে খবর দেন। পরে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার রাতেই নীরজের পুত্র শুভম জয়সওয়াল পার্কস্ট্রিট থানায় এসে গোটা ঘটনার কথা জানান। পুলিশ এনআরএস হাসপাতালে পৌঁছে কর্তব্যরত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারে, নীরজ জয়সওয়ালের অবস্থা সঙ্কটজনক। বুধবার দুপুর ১২টা ৪০ নাগাদ কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরবর্তীতে মৃতের ছেলে শুভম জয়সওয়াল পার্কস্ট্রিট থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্ত ধীরজ জয়সওয়ালকে তাঁর এজেসি বোস রোডের বাড়ি থেকে আটক থানায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশ সূত্রের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এর পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার এনআরএসে মৃতদেহ ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। পাশাপাশি ঘটনার তদন্তে গোয়েন্দা বিভাগের বৈজ্ঞানিক শাখার সাহায্যও নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করানো হয়েছে।


Share