Amit Shah

‘আসন্ন বিধানসভা ভোটে দু'ই তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠন করবে বিজেপি,’ সাংবাদিক সম্মেলনে হুংকার শাহের

তৃণমূল সরকারকে অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতি নিয়ে আক্রমণ একযোগে আক্রমণ করে অমিত শাহ। তিনি জানান, @পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কুনাল ঘোষ, শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এরা সবাই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত।”

অমিত শাহ
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০১:০১

বছর পেরোলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ভোটের নিরিখে কোন দল এগিয়ে থাকবে তা নিয়ে এখন থেকেই জল্পনা তুঙ্গে। তিন দিনের সফরে রাজ্যে ‘টার্গেট’ বেঁধে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বললেন, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে বিজেপি সরকারে আসবে। তিনি বলেন, "আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যা গরিষ্ঠতার সঙ্গে বিজেপি সরকার গড়বে।" 

তিন দিনের জন‍্যে রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জনসভা নয়। গোটা সফরটাতেই সাংগঠনিক বৈঠক রয়েছে। নির্বাচনে কোথায় কী গলদ রয়েছে তা ঝালিয়ে নিচ্ছেন। তা কী করে ঠিক করা য়ায় তা নিয়েও রাজ্যের নেতাদের বলেছেন। মঙ্গলবারের সাংবাদিক বৈঠকে শাহ বলেন, ২০২৬ বিধানসভায় বিজেপির জয় নিশ্চিত। এর পাশাপাশি বিগত দিনের বিধানসভা ভোটের ফলাফল তুলে ধরেন তিনি। কারণ ২০১৬ তে বিজেপি মাত্র ১০ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। জিতেছিল তিনটি আসন। ২০২১ সালে বিজেপির তিনটি আসন হয়ে দাঁড়ায় ৭৭টি আসনে। উল্লেখযোগ্য ভাবে ভোটের শতাংশেরও বৃদ্ধি হয়েছে। তিনি বলেন, "যে দল তিনটে আসন থেকে ৭৭ টি আসনে অগ্রসর হতে পারে এবং রাজ্যে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে আসতে পারে, আগামী দিনে সেই দলে ক্ষমতায় আসবে।" 

এর পাশাপাশি রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতি নিয়ে আক্রমণ একযোগে আক্রমণ করে অমিত শাহ। তিনি বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কুনাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক-এরা সবাই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত। তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রীদের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়। টাকা গোনার জন্যে মেশিন আনা হয়েছে। এতো টাকা যে গুনতে গুনতে মেশিন বন্ধ হয়ে গিয়েছে।” 

শুধু তাই নয়, দুর্নীতি এবং হিংসার প্রশ্নে অতীতের বামফ্রন্ট সরকারকেও তৃণমূল ছাপিয়ে গিয়েছে বলেও দাবি করেন শাহ। এ দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বামফ্রন্ট সরকার ও তৃণমূল সরকারকে একযোগে নিশানা করেন। তিনি বলেন, “৩৪ বছর পর বামফ্রন্ট সরকারের পতনের সময় সবাই ভেবেছিল পশ্চিমবঙ্গে হিংসা কমে যাবে। তবে তৃণমূল সরকার হিংসার এমন নজির কায়েম করেছে যাতে বামফ্রন্ট সরকারকেও এখন ভালো বলতে হচ্ছে।”


Share