High Court

জিটিএ শিক্ষক মামলায় বড় স্বস্তি, ৩১৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশে হাই কোর্টের স্থগিতাদেশ

৩১৩ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিলের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বুধবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। পাশাপাশি, মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়েছে। এরপর সার্কিট বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা হাই কোর্ট
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৩:২১

পাহাড়ে জিটিএ-এর শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন শিক্ষকরা। ৩১৩ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিলের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বুধবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়।

ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১২ সপ্তাহ এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। পাশাপাশি, মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়েছে। এরপর সার্কিট বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, জিটিএ চুক্তির আগে পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি অলিখিত নিয়ম চালু ছিল। সেই অনুযায়ী স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি প্রথমে অবৈতনিক শিক্ষক নিয়োগ করত এবং পরে শিক্ষা দপ্তরের অনুমোদন নিয়ে তাঁদের স্থায়ী করা হতো। কিন্তু জিটিএ চুক্তির পরেও স্কুল সার্ভিস কমিশন গঠিত না হওয়ায় স্বেচ্ছাসেবী অবৈতনিক শিক্ষকেরা আন্দোলনে নামেন। এর জেরে রাজ্য সরকার শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে ৪৩৯ জন শিক্ষককে নিয়োগ করে। ওই শিক্ষকরা প্রত্যেকেই অন্তত পাঁচ বছর ধরে চাকরি করে আসছেন।

এদিকে, জিটিএ-র শিক্ষক নিয়োগে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার শুনানিতে গত ১৭ ডিসেম্বর বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু এক নির্দেশে ৩১৩ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বেআইনি। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়। বুধবার সেই মামলাতেই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের নির্দেশ দেওয়া হল।


Share