Telemedicine in West Bengal

টেলি মেডিসিনে নজির গড়ল রাজ‍্য, ১১ হাজার কেন্দ্রে পরিষেবা, যুক্ত ন’হাজার চিকিৎসক

টেলি–মেডিসিন পরিষেবায় নতুন সাফল্যের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, রাজ্যের গ্রামীণ এলাকায় এখন পর্যন্ত সাত কোটি রোগী এই পরিষেবার সুবিধা নিয়েছেন। আগামী দিনে এই পরিষেবা আরও ছড়িয়ে পড়বে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০২৫ ০১:৩৩

দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফল মিলল অবশেষে। টেলি মেডিসিন পরিষেবায় নতুন সাফল্যের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, রাজ্যের গ্রামীণ এলাকায় এখন পর্যন্ত সাত কোটি রোগী এই পরিষেবার সুবিধা নিয়েছেন।

গ্রামীণ এলাকায় টেলি-মেডিসিন পরিষেবা পাওয়া রোগীর সংখ্যা সাত কোটি ছুঁয়েছে। এই সাফল্যের কথাই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। এই সাফল্যের নেপথ্যে চিকিৎসকদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তাঁদের অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। আগামী দিনে এই পরিষেবা আরও ছড়িয়ে পড়বে এবং আরও বেশি উপভোক্তা এর সুবিধা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন মমতা।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কোভিড অতিমারীর সময় এই পরিষেবা চালুর উপর জোর দেয় রাজ্য। ভিডিও কলে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে রোগীরা সহজেই প্রয়োজনীয় প্রেসক্রিপশন পেয়ে ওষুধ কিনতে পারছিলেন। দূরদূরান্তের হাসপাতালে না গিয়ে চিকিৎসা পাওয়ার সুবিধা মিলেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে।

বর্তমানে রাজ্যের ১১ হাজারেরও বেশি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টেলি–মেডিসিন পরিষেবা চালু রয়েছে। এতে যুক্ত রয়েছেন ন’হাজারের বেশি চিকিৎসক এবং প্রায় ৮০ হাজার পরামর্শদাতা। পরিষেবা আরও বিস্তৃত করতে একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর।

গত আগস্টে স্বাস্থ্যভবন ১৯টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ, যেগুলি টেলি–মেডিসিন হাব হিসেবে কাজ করে, তাদের নির্দেশ দেয়— প্রতিটি হাসপাতাল থেকে অন্তত নয় জন চিকিৎসককে নিয়মিত লগ–ইন করে মাসে ন্যূনতম ১০০টি টেলি–পরামর্শ দিতে হবে। স্বাস্থ্য দপ্তর জানায়, পরিষেবার শৃঙ্খলা, কার্যকারিতা এবং মান উন্নত করার লক্ষ্যে চিকিৎসকদের এই বাধ্যতামূলক টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে।


Share