Special Intensive Revision

একজন ব‍্যক্তির নামে ৩৬৫ জনের ম‍্যাপিং! নির্বাচন কীভাবে হবে? জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ জ্ঞানেশ ভারতীর

তৃণমূলের বুথ স্তরের এজেন্টদের শুনানিকেন্দ্রে থাকতে দেওয়ার দাবি করেছে। হুগলির চুঁচুড়ায় পরপর দু’দিন বিধায়ক অসিত মজুমদার কেন্দ্রে গিয়ে শুনানি বন্ধ করে দেন। তাঁর দাবি, দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ তিনি মেনে চলবেন।

সিইও দফতরে বৈঠকে ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০১:২৮

একজন ভোটারের নামে ৩৬৫ জনের ম্যাপিং! এ ছাড়াও, একজন মহিলার নামে ৬০-৬৫ জনের ম‍্যাপিং ধরা পড়েছে। শুরু হয়েছে নন-ম‍্যাপিং ভোটারদের শুনানি। সেই আবহে কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে রাজ্য এসেছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী এবং কমিশনের প্রিন্সিপাল সচিব এসবি জোশী। মঙ্গলবার জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জ্ঞানেশ ভারতী। 

রাজ্যের ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজ চলছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ম‍্যাপিং নেই বা ম‍্যাপিংয়ে গড়মিল রয়েছে এমন ভোটারদের নোটিস দিয়ে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হচ্ছে। তার কাজ কেমন হচ্ছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার। তা দেখেতে গিয়ে এমন তথ্য সামনে আসে। কমিশন সূত্রের খবর, এক ব‍্যক্তির নামে ৩৬৫ জনের ম‍্যাপিং পাওয়া গিয়েছে। আবার এক মহিলার সঙ্গে ৬০ থেকে ৬৫ জনের ম‍্যাপিং হয়েছে। জ্ঞানেশের কথায়, এতো কিছুর পরেও একাধিক ভুল থেকে যাচ্ছে। কেন এতো ভুল হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন করেন। এতো ভুল হলে কীভাবে বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনের কাজ শেষ করা যাবে। আর তা না হলে কীভাবে সময়মতো নির্বাচন হবে বলেও বৈঠকে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ইতিমধ্যেই, তৃণমূলের বুথ স্তরের এজেন্টদের শুনানিকেন্দ্রে থাকতে দেওয়ার দাবি করেছে। হুগলির চুঁচুড়ায় পরপর দু’দিন বিধায়ক অসিত মজুমদার কেন্দ্রে গিয়ে শুনানি বন্ধ করে দেন। তাঁর দাবি, দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ তিনি মেনে চলবেন।

এমন পরিস্থিতিতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। বলা হয়, কোনও রাজনৈতিক দলের বুথ স্তরের এজেন্টরা শুনানিকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন না। শুনানিকেন্দ্রে বিএলও, এইআরও-রাই থাকবেন। যদি কোনও রাজনৈতিক দলের বিএলএ সেখানে থাকেন, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুনানিকেন্দ্রে যাতে রাজনৈতিক দলের বিএলএ’রা যাতে না প্রবেশ করতে পারে তা নিশ্চিত করবে জেলাশাসক বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকেরাই।


Share