Accused Died

চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগে ধৃত ব্যক্তির জেল হেফাজতে মৃত্যু, সংশোধনাগরের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন, তদন্তে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ

অভিযোগের ভিত্তিতেই গত ২০ জুলাই শান্তিনিকেতন এলাকা থেকে তাঁকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এরপর কয়েকদিন পুলিশি হেফাজতে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন
  • শেষ আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২৬ ১০:৫৯

চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা। সেই অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। সেই সংশোধনাগারেই তাঁর মৃত্যু হল। বীরভূমের বোলপুরে এমনই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বোলপুর মহকুমা সংশোধনাগারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শুক্রবার এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সুমন চক্রবর্তী (৪৮)। তিনি উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর (সল্টলেক) এলাকার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই কারণেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে দেহের ময়নাতদন্তের পাশাপাশি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষও পৃথকভাবে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

তদন্তকারী সূত্রের দাবি, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ছিল সুমনের বিরুদ্ধে। বোলপুর-শান্তিনিকেতন এলাকাতেও তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গত ২০ জুলাই শান্তিনিকেতন এলাকা থেকে তাঁকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এরপর কয়েকদিন পুলিশি হেফাজতে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পরবর্তীতে বোলপুর মহকুমা আদালতের নির্দেশে গত ২৪ জুলাই তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। জেল হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

এ দিকে অভিযোগ উঠেছে, বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় শুক্রবার সেখানেই ময়নাতদন্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে তদন্তকারী মহলের আশা।


Share