Weather Update

পুজোর আগে ফের আবহাওয়ার ভোলবদল, বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

শনিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ও ৩০–৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:০৯

বর্ষার বিদায় নেওয়ার পালা আগত। তবুও এখনই রাজ্য থেকে ছুটি নিচ্ছে না বৃষ্টি। শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও হালকা থেকে মাঝারি, আবার কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবারও দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা কিছুটা কমবে। সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টির প্রবণতা আরও কমবে। ওই দু'দিন দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই।

তবে বুধবার থেকে ফের বদলাবে আবহাওয়া। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি হতে পারে। বৃহস্পতিবার বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উত্তরবঙ্গেও শনিবার বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক কম থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে ফের আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি হতে পারে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কলকাতায় মূলত আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। দু'-এক পশলা হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি না হলে অস্বস্তি বাড়বে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৯ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৭৭ থেকে ৯৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ৩২.৬ মিলিমিটার।

এদিকে, আজ থেকেই দেশে বর্ষার বিদায়পর্ব শুরু হতে চলেছে। রাজস্থানের পশ্চিমাংশ থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে। একইসঙ্গে উত্তর আন্দামান সাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্তটি শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। আমেরিকার আবহাওয়া মডেল জিএফএস-এর পূর্বাভাসে এই সিস্টেমটি পরবর্তী সময়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হলেও, মৌসম ভবন এখনও নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথাই জানিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তার নাম হতে পারে ‘অর্ণব’, বাংলাদেশের দেওয়া নাম। আপাতত নিম্নচাপটি অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোতে পারে বলে পূর্বাভাস।


Share