Shoot Out

বীরভূমে দুষ্কৃতীদের দাপট! নলহাটিতে পরপর গুলির শব্দে কাঁপল গ্রাম, তিনজনকে লক্ষ্য করে হামলা, তদন্তে পুলিশ

প্রথমে তাঁদের বীরভূমের রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকি শেখ ও জনি শেখকে পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, নলহাটি
  • শেষ আপডেট: ০৩ আগস্ট ২০২৬ ০৪:৪৪

বীরভূমের নলহাটিতে গভীর রাতে দফায় দফায় গুলিবর্ষণ। অভিযোগ, পরপর ১১ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এই ঘটনায় তিন জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার মধ্যরাতে নলহাটি থানার হরিদাসপুর গ্রামের কাছে এই ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বিকি শেখ, হাবিবুল শেখ এবং জনি শেখ নামে তিন স্থানীয় বাসিন্দাকে উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তাঁদের বীরভূমের রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকি শেখ ও জনি শেখকে পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। নলহাটি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে হরিদাসপুর গ্রামের কাছে রাস্তার ধারে একটি বাঁশের মাচায় বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন বিকি শেখ, হাবিবুল শেখ ও জনি শেখ। সেই সময় তিনটি মোটরবাইকে করে কয়েক জন দুষ্কৃতী সেখানে এসে পৌঁছোয়। প্রত্যেকের মুখ কাপড়ে ঢাকা ছিল বলে অভিযোগ। কোনও রকম বাগ্‌বিতণ্ডা বা প্ররোচনা ছাড়াই তারা তিনজনকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। হামলার পরই দুষ্কৃতীরা দ্রুত বাইকে চেপে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করেন এবং হাসপাতালে ভর্তি করান। সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ ১০টি কার্তুজের খোল এবং একটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে। কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত এবং কী কারণে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে নলহাটি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।


Share