Body Recovery

সল্টলেকে বাড়ি থেকে উদ্ধার দম্পতির দেহ, বিষপান করে আত্মহত্যার আশঙ্কা, তদন্তে পুলিশ

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রঞ্জনা কুণ্ডু দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিষের বোতলও উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছে।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, সল্টলেক
  • শেষ আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২৬ ০৩:৫৮

বিধাননগরের সল্টলেকের এ ই ব্লকের একটি বাড়ি থেকে এক দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মৃতদের নাম সজলকুমার কুণ্ডু এবং তাঁর স্ত্রী রঞ্জনা কুণ্ডু। ঘরের ভিতরে খাটের উপর দু'জনের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রঞ্জনা কুণ্ডু দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিষের বোতলও উদ্ধার হয়েছে। সেই সূত্র ধরেই পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, দম্পতি বিষপান করে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। যদিও ঘর থেকে কোনও সুইসাইড নোট মেলেনি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দম্পতির একমাত্র ছেলে বুধবার রাতে স্ত্রীকে নিয়ে উল্টোডাঙায় শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। সেদিন রাত প্রায় ১০টা নাগাদ বাবা-মায়ের সঙ্গে তাঁর শেষবার ফোনে কথা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি আবারও ফোন করেন। তবে দু'জনের কেউই ফোন ধরেননি। পরে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। তখন তিনি পাশের বাড়ির এক প্রতিবেশীকে বাবা-মায়ের খোঁজ নিতে অনুরোধ করেন।

প্রতিবেশী বাড়িতে গিয়ে বারবার কলিংবেল বাজায়। কিন্তু কোনও সাড়া পাননি। বাড়ির গেট ও দরজা বন্ধ থাকায় সন্দেহ তৈরি হয়। বিষয়টি আশপাশের লোকজন, দম্পতির ছেলে এবং পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। পরে ছেলের কাছে থাকা অতিরিক্ত চাবি দিয়ে ঘরের দরজা খোলা হয়। ভিতরে ঢুকতেই খাটের উপর দম্পতির ফর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। সজলকুমার কুণ্ডু ও রঞ্জনা কুণ্ডুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার পিছনে অসুস্থতা, আর্থিক সমস্যা বা অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেহ দুটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। তদন্তকারীদের বক্তব্য, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হবে।


Share