Kalyan Banerjee

বিস্ফোরক অভিযোগ কাকলির, ‘নারীবিদ্বেষী’ কল্যাণের বিরুদ্ধে লোকসভার স্পিকারের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ

লোকসভার ভিতরে বারবার মৌখিক হেনস্থার অভিযোগ তুলে বুধবার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন কাকলি।

কাকলি ঘোষদস্তিদার
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০২৬ ০২:৪৬

তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন দলেরই সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার ভিতরে বারবার মৌখিক হেনস্থার অভিযোগ তুলে বুধবার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন কাকলি। ওই চিঠিতে কল্যাণের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের অনুমতিও চেয়েছেন তিনি।

বারাসতের সাংসদের দাবি, লোকসভার ভিতরে একাধিক বার তাঁকে মৌখিকভাবে হেনস্থা করেছেন কল্যাণ। শুধু তাই নয়, মহিলা সাংসদদের প্রতি শ্রীরামপুরের সাংসদের মনোভাব ‘নারীবিদ্বেষী’ বলেও অভিযোগ করেছেন কাকলি। তাঁর মতে, এ ধরনের আচরণের জন্য কল্যাণের শাস্তি হওয়া উচিত।

এই বিষয়ে কাকলির প্রতিক্রিয়া জানার চেষ্টা করা হলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। একই ভাবে ফোনে পাওয়া যায়নি কল্যাণকেও। তাঁদের বিস্তারিত বক্তব্য মিললে তা পরে যুক্ত করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত রবিবার বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কাকলি। দলীয় নেতৃত্বের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, মহিলা সাংসদের প্রতি এক ‘অশিক্ষিত ও অভদ্র’ দলীয় সাংসদের অশালীন আচরণ রোখা যাচ্ছে না, এমনকি ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের সহযোগিতাও মিলছে না। যদিও সেখানে কারও নাম উল্লেখ করেননি তিনি, তৃণমূলের অন্দরে অনেকেই মনে করছেন, তাঁর নিশানায় ছিলেন কল্যাণই।

বুধবার কাকলির অভিযোগের পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে কল্যাণ বলেন, ‘‘২০১১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আমি সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক পদে ছিলাম। মাঝখানে কয়েক মাস ওই দায়িত্বে ছিলাম না। ওঁর (কাকলির) আবার কিসের এত কথা? নারদে তো আমি পাঁচ লক্ষ টাকা নিইনি। উনি নিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সিন্ডিকেট শব্দের জন্মদাত্রী কে? সকলে জানেন। সেই সিন্ডিকেটের জন্মস্থান রাজারহাট।’’

এ দিকে কাকলির চিঠি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দলের সাংসদদের একাংশের মতে, স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে কল্যাণের ব্যক্তিগত সম্পর্ক বরাবরই ভাল। ফলে এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার কী পদক্ষেপ করেন, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


Share