Special Intensive Rivision

এসআইআর, বদলি ও এফআইআর বিতর্কে নতুন সংঘাত; কমিশন-রাজ্য টানাপোড়েন তুঙ্গে

কমিশন জানায়, ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা আধিকারিকদের উপর চাপ বরদাস্ত করা হবে না। তাদের দাবি, তৃণমূলের কিছু বিধায়ক প্রকাশ্য সভায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে হুমকি দিচ্ছেন এবং এসআইআর-এর কাজে যুক্ত ইআরও ও এসডিওদের দফতরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে।

নির্বাচন কমিশন
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৩:৫৪

নির্বাচন কমিশনের কক্ষের ভেতরে সোমবার বিকেলে যে উত্তাপের সূচনা হয়েছিল, তা এখন বাইরে তীব্র বিতর্কে রূপ নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর থেকেই তরজা শুরু হয়েছে। মমতার অভিযোগ, কমিশনের আচরণে ‘জমিদারি মানসিকতা’ ও ‘দুর্ব্যবহার’ স্পষ্ট। পাল্টা বিবৃতিতে নির্বাচন কমিশন তৃণমূল বিধায়কদের বিরুদ্ধে গুণ্ডামির অভিযোগ তোলে।

কমিশন জানায়, ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা আধিকারিকদের উপর চাপ বরদাস্ত করা হবে না। তাদের দাবি, তৃণমূলের কিছু বিধায়ক প্রকাশ্য সভায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে হুমকি দিচ্ছেন এবং এসআইআর-এর কাজে যুক্ত ইআরও ও এসডিওদের দফতরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে। কমিশনের কড়া বার্তা, কেউ আইন নিজের হাতে তুললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংঘাতের মাত্রা আরও বেড়েছে আধিকারিকদের বদলি নিয়ে। কমিশনের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিয়ম ভেঙে তিনজন আধিকারিককে বদলি করেছে। কমিশনের দাবি, ২৭ জানুয়ারি সেই বদলি বাতিলের অনুরোধ জানানো হলেও রাজ্যের তরফে কোনও পদক্ষেপ হয়নি। পাশাপাশি, চারজন অভিযুক্ত আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের প্রসঙ্গেও রাজ্য গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএলওদের সম্মানিক নিয়েও কমিশন জানিয়েছে, ১৮ হাজার টাকার মধ্যে ৭ হাজার টাকা ইতিমধ্যেই পরিশোধ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে, ভোটার তালিকা ইস্যুতে কেন্দ্র ও রাজ্যের প্রশাসনিক টানাপোড়েন এখন কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


Share