Indigo

ইন্ডিগো ফ্লাইট বিপর্যয় নিয়ে তদন্ত রিপোর্ট ডিজিসিএ-র হাতে, অপেক্ষা প্রকাশের

ডিসেম্বরের শুরুতে ইন্ডিগোর ব্যাপক ফ্লাইট বিপর্যয়ের তদন্ত রিপোর্ট ডিজিসিএ-র কাছে জমা পড়েছে। রিপোর্ট প্রকাশ হয়নি। নতুন এফডিটিএল নিয়ম না মানার অভিযোগে ইন্ডিগো ও শীর্ষ কর্তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত।

ইন্ডিগো বিমান
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৮:৪৭

ডিসেম্বরের শুরুতে দেশজুড়ে ইন্ডিগোর ফ্লাইট পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার ঘটনায় গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটি শুক্রবার ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন-এর কাছে তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ডিজিসিএ-র শীর্ষ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রিপোর্টটি আপাতত প্রকাশ করা হয়নি। কয়েক দিনের মধ্যে বিস্তারিত জানানো হতে পারে।

ডিজিসিএ-র জয়েন্ট ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জয় কে ব্রামহানে-র নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিকে বিপর্যয়ের মূল কারণ নির্ধারণ, নতুন ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশন নিয়ম অনুযায়ী ইন্ডিগোর প্রস্তুতি যাচাই এবং নিয়ম মানা হয়েছিল কি না তা তদন্ত করে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ইন্ডিগো ও তাদের শীর্ষ ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা ঠিক করবে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বেসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কে রামমোহন নাইডু আগেই জানিয়েছিলেন, দায়ী প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যা ‘দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে’। আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি শীর্ষ কর্তাদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

বিপর্যয়ের পর ইন্ডিগোর তদারকিতে যুক্ত ডিজিসিএ-র চারজন ফ্লাইট অপারেশন ইন্সপেক্টরকে বরখাস্ত করা হয়। পাশাপাশি, ইন্ডিগোর সিইও পিটার এলবার্স এবং সিওও ইসিদ্রে পোরকেরাসকে শোকজ নোটিস দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারতের ঘরোয়া বিমান বাজারের প্রায় ৬৫ শতাংশ দখলে থাকা ইন্ডিগোর কাছে নতুন এফডিটিএল নিয়মের দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর করার মতো পর্যাপ্ত পাইলট না থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এর জেরে ৩ ডিসেম্বর থেকে টানা কয়েক দিন বহু ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয় সংস্থাটি।

নতুন এফডিটিএল নিয়মে পাইলটদের জন্য বাড়তি বিশ্রাম এবং রাতের উড়ানে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে, যাতে ক্লান্তিজনিত দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো যায়। জানুয়ারিতে ঘোষিত এই নিয়ম দুটি ধাপে কার্যকর হয় ১ জুলাই ও ১ নভেম্বর। দ্বিতীয় ধাপই ইন্ডিগোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।


Share