Encounter

উত্তরপ্রদেশে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযুক্ত আজম খানকে এনকাউন্টার পুলিশের, মাথার দাম ছিল এক লক্ষ টাকা, পলাতক দু’জন

পুলিশের গুলিতে জখম হয় মূল অভিযুক্ত তালিব ওরফে আজম খান। তালিবকে সেখান থেকে লাম্ভুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে সুলতানপুর মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তালিবের মৃত্যু হয়েছে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশে পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু ধর্ষণের অভিযুক্তের।
নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তরপ্রদেশ
  • শেষ আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:৫৩

উত্তরপ্রদেশের গণধর্ষণের অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করল পুলিশ। অভিযুক্তদের নাম তালিব ওরফে আজম খান। পুলিশের খাতায় আজম খান দাগী দুষ্কৃতী। আজম খান লখীমপুরখেরীর বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে গণধর্ষণ, গোহত‍্যা, গাড়িচুরি-সহ ১৭টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। 

গত কয়েক দিন আগে লখীমপুরখেরীতে দুই নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ছিল তালিব ওরফে আজম খান। ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল অভিযুক্ত। পুলিশ তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল। সোমবারে পুলিশের কাছে খবর আসে, লখিমপুরখেরীর দিয়ারা সেতুর কাছে লাম্ভুয়া এলাকায় দুই সঙ্গী সুলতান এবং মুখতারের সঙ্গে দেখা করতে তালিব এসেছে। ঘটনাচক্রে তার দুই সঙ্গী মুখতার এবং সুলতান এই ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত। এর পরেই পুলিশের একটি দল দিয়ারা সেতুর কাছে যায়। পুলিশকে দেখেই তালিব এবং তার সঙ্গীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ।

পুলিশের গুলিতে জখম হয় মূল অভিযুক্ত তালিব ওরফে আজম খান। তালিবকে সেখান থেকে লাম্ভুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে সুলতানপুর মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তালিবের মৃত্যু হয়েছে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

জেলা পুলিশের সুপার অনুপম সিংহ জানিয়েছেন, লখিমপুরখেরীতে নাবালিকাকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ছিল তালিব ওরফে আজম খান, সুলতান এবং মুখতার। লখিমপুরখেরী এবং সুলতানপুর এলাকার দাগী দুষ্কৃতী এরা। এদের গ‍্যাং এই দুই জায়গায় সক্রিয়। 


Share