Delhi

রবিবার সকালে ঘন কুয়াশার ঢাকল রাজধানী, বিপর্যস্ত ট্রেন-বিমান পরিষেবা, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ঘন কুয়াশা ও ভয়ানক দূষণে কার্যত স্তব্ধ দিল্লি। দৃশ্যমানতা শূন্যে, রেল-উড়ান বিপর্যস্ত। AQI ৪৩৯ ছুঁয়ে জারি গ্র্যাপ-৪। শীতের দাপটে চরম ভোগান্তি রাজধানীতে।

ঘন কুয়াশায় ঢাকা দিল্লি
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৫৭

দিল্লিতে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দূষণ ও ঘন কুয়াশার দাপট। রবিবার সকালে কুয়াশায় ঢেকে যায় রাজধানী, দৃশ্যমানতা নেমে আসে প্রায় শূন্যে। এর জেরে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন সাধারণ মানুষ। ব্যাহত হয় রেল ও বিমান চলাচল।

‘ফ্লাইট রাডার ২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, দিল্লি থেকে ছাড়ার কথা থাকা প্রায় ৩৫ শতাংশ বিমান এবং দিল্লিতে অবতরণের অপেক্ষায় থাকা ২৭ শতাংশ বিমান নির্ধারিত সময়ের তুলনায় অনেকটাই দেরিতে চলছে। তবে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে রেল পরিষেবায়। রাজধানী, দুরন্ত ও গরিব রথ-সমেত একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন তিন থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত দেরিতে চলছে। ঘন কুয়াশার কারণে উপাসনা এক্সপ্রেস ও সিকিম মহানন্দা এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন বাতিলও করতে হয়েছে রেল কর্তৃপক্ষকে।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আনন্দ বিহার–জয়নগর গরিব রথ এক্সপ্রেস ১২ ঘণ্টা, নয়াদিল্লি–রাজেন্দ্র নগর অমৃত ভারত এক্সপ্রেস সাড়ে সাত ঘণ্টা, নয়াদিল্লি–হাওড়া দুরন্ত এক্সপ্রেস ন'ঘণ্টা এবং নয়াদিল্লি-রাজেন্দ্র নগর পাটনা রাজধানী এক্সপ্রেস পাঁচ ঘণ্টা দেরিতে চলছে। পাশাপাশি ব্রহ্মপুত্র মেল, মগধ এক্সপ্রেস, কলকাতা এক্সপ্রেস, পুরুষোত্তম এক্সপ্রেস-সহ একাধিক ট্রেন নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে গন্তব্যে পৌঁছচ্ছে।

এদিকে রবিবার সকাল সাতটায় দিল্লির বায়ুগুণমান সূচক পৌঁছয় ৪৩৯-এ, যা ‘অতি ভয়ানক’ শ্রেণির মধ্যে পড়ে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ‘গ্র্যাপ-৪’ (GRAP-IV) জারি করেছে। এর ফলে রাজধানীতে অপ্রয়োজনীয় ট্রাক চলাচল বন্ধ করা হয়েছে এবং সব ধরনের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

শনিবার দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত তাপমাত্রায় সামান্য উন্নতি হতে পারে এবং হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে ২৩ থেকে ২৬ জানুয়ারির মধ্যে ফের প্রবল শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা করা হচ্ছে।


Share