Gang Rape

ওড়িশায় গণধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত ৫ সহপাঠী-সহ আরোও এক, গ্রেফতার অভিযুক্তরা

জানা গিয়েছে, এই ঘটনাটি ঘটেছে বলাঙ্গির জেলার তুরেকেলা থানা এলাকায়। স্কুল চত্বরের মধ্যেই ওই ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়। বলাঙ্গির জেলার পুলিশ সুপার অভিলাষ জি জানিয়েছেন, ওই ছাত্রীর পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই ছ'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, ওড়িশা
  • শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:৫৩

ওড়িশায় নাবালিকা গণর্ধষণ। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ওড়িশার বালাঙ্গি জেলায়। অভিযোগ, নবম শ্রেণীর পড়ুয়াকে তাঁর সহপাঠীরা গণধর্ষণ করে। এই ঘটনার একটি ভিডিয়ো সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়েছে পড়ে। এরপর অভিযোগের ভিত্তিতে ওই পাঁচ সহপাঠী-সহ মোট ছ'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, এই ঘটনাটি ঘটেছে বলাঙ্গির জেলার তুরেকেলা থানা এলাকায়। স্কুল চত্বরের মধ্যেই ওই ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়। বলাঙ্গির জেলার পুলিশ সুপার অভিলাষ জি জানিয়েছেন, ওই ছাত্রীর পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই ছ'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছেন, দিন কয়েক আগেই ওই ছাত্রীকে তারই স্কুল চত্বরের মধ্যে গণধর্ষণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার একটি ভিডিয়ো সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ভিডিয়ো দেখেই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করার সময়েই অভিযুক্তরা তার ভিডিয়ো তুলে অন্যদের পাঠিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে জানা গিয়েছে, ওই ভিডিয়ো এবং অভিযোগ সত্য। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হচ্ছে। এই নিয়ে আরও তদন্ত চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জানা যাচ্ছে, ওই স্কুলে পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের টিউশন দেওয়া হয়। ওই টিউশনের পরেই পাঁচ জন সহপাঠী এবং বছর ২২-এর এক যুবক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। ওই ঘটনার ভিডিয়ো সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরেই মেয়েটির পরিবার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানায়।

অন্যদিকে, আরোও এক নৃশংস ঘটনা ঘটে ওড়িশার কন্ধমাল জেলার বেলাঘর থানা এলাকায়। অভিযোগ, আগের দিনেই এক নাবালিকাকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে যাওয়ার পরে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। মেয়েটির হাত-পা বেঁধে জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছিল।

ওই এলাকার এসডিপিও শুভম জানিয়েছেন, মেয়েটি একাই একটি ক্যানালের কাছে গিয়েছিল। সেখান থেকেই গ্রামের দুই যুবক তাকে জঙ্গলে তুলে নিয়ে যায়।

জানা গিয়েছে, ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় অভিযুক্তরা তার কাপড় ছিঁড়ে দিয়ে ভিডিয়ো তুলে রাখে। ওই ভিডিয়ো সবাইকে দেখানোর হুমকিও দেয় ধৃতেরা। মেয়েটি বাড়ি ফিরে আসার পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়। পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য জনের খোঁজ চলছে বলেও জানিয়েছেন এসডিপিও।


Share