America Strikes Venezuela

ভেনিজুয়েলায় এয়ার স্ট্রাইক আমেরিকার, পরপর বিস্ফোরণে কাঁপল রাজধানী কারাকাস, গুঁড়িয়ে দেওয়া হল একাধিক সেনাঘাঁটি

বিস্ফোরণের পরে গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে। ঘটনার পরে গোটা কারাকাসে বিদ‍্যুৎ বিছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গোটা দেশে জরুরি অবস্থা জারি রয়েছে সরকার।

ভেনিজুয়েলায় আমেরিকার এয়ার স্ট্রাইক।
নিজস্ব সংবাদদাতা, আমেরিকা
আমেরিকা
  • শেষ আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:২১

জল্পনা ছিলই। এ বার সরাসরি ভেনিজুয়েলায় এয়ার স্ট্রাইক করে দিল আমেরিকা। স্থানীয় সময় অনুযায়ী, শুক্রবার গভীর রাতে আমেরিকা রাজধানী কারাকাসে এয়ার স্ট্রাইক করেছে। গুঁড়িয়ে দিয়েছে একাধিক সেনাঘাঁটি। গোটা দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। 

সংবাদসংস্থা প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় অনুযায়ী শুক্রবার গভীর রাত ১টা ৫০ মিনিট নাগাদ প্রথম বিস্ফোরণ ঘটে। জানা গিয়েছে, কারাকাসের একাধিক সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে অভিযান চালিয়েছে আমেরিকা। চিনুক হেলিকপ্টার দিয়ে বেছে বেছে তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে। ভেনিজুয়েলার ফোর্ট তিয়ুনার সেনাঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বিস্ফোরণের ভিডিয়ো সমাজমাধ‍্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বিস্ফোরণের পরে গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে। ঘটনার পরে গোটা কারাকাসে বিদ‍্যুৎ বিছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গোটা দেশে জরুরি অবস্থা জারি রয়েছে সরকার।

আমেরিকার তাদের নাগরিকদের জন্য ভেনিজুয়েলা না যেতে পরামর্শ দিয়েছে। সেই মর্মে ট্রাম্পের প্রশাসনের তরফে চতুর্থ স্তরের (লেভেল ৪) নোটাম জারি করা হয়েছে। যাকে সর্বোচ্চ হিসেবে গণ্য করা। এমন নির্দেশিকা জারি করা হয় যখন, নাগরিকদের অন‍্যদেশে বিপদ থাকে। এ ছাড়াও, ভেনেজুয়েলার বাইরে থাকা পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য একাধিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে কোন দিকে অগ্রসর হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করতে আমেরিকা তাদের নাগরিকদের অনুরোধ করেছে।

অন‍্যদিকে, ভেনিজুয়েলার ‘স্বৈরাতান্ত্রিক’ সরকারের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো পাল্টা অভিযোগ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, গোটা মাস জুড়ে তাঁদেরকে চাপে রেখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সরকারকে উৎখাত করতে চাইছে তাঁরা। এর পরেই দেশের তেলের খনির ওপর নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইছে আমেরিকা। 


Share