Murder case

শালবনিতে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে, ধৃতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

প্রভাস ঘুমন্ত স্ত্রীর গলায় কাটারির কোপ মারেন। ঘটনার পর তিনি তাঁদের বড় মেয়েকে ডেকে খুনের কথা জানান।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর
  • শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০২৬ ০৫:১০

পশ্চিম মেদিনীপুরে আর যুবকের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি থানার কোটালকুলি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতার নাম কল্যাণী মাহাতো (৩৪)। ঘটনার পর তাঁর স্বামী প্রভাস মাহাতোকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রভাস মাহাতো নিয়মিত মদ্যপান করতেন। এই বিষয়টি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। সংসারে আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যেও স্বামীর মদ্যপান নিয়ে আপত্তি জানাতেন কল্যাণী। বৃহস্পতিবার রাতেও একই কারণে দু’জনের মধ্যে বচসা হয় বলে অভিযোগ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাত প্রায় আড়াইটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। প্রভাস ঘুমন্ত স্ত্রীর গলায় কাটারির কোপ মারেন। ঘটনার পর তিনি তাঁদের বড় মেয়েকে ডেকে খুনের কথা জানান। বড় মেয়ে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ে। সেই সময় ছোট মেয়ে ঘুমিয়ে ছিল। সে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। বড় মেয়ে ঘরের দরজা খুলে মায়ের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে । আতঙ্কে সে চিৎকার করে ওঠে। তখন পরিবারের অন্য সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন।

খবর পেয়ে শুক্রবার ভোরে শালবনি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা কল্যাণীর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে খুনে ব্যবহৃত কাটারিটিও পুলিশ উদ্ধার করেছে।

অভিযুক্ত প্রভাস মাহাতোকে গ্রেফতার করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কী কারণে ঘটনা ঘটল, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

প্রতিবেশী সুনীল মাহাতো জানান, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া হতো। তবে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটবে তা কেউ কল্পনাও করেননি। অন্য দিকে, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান ধনঞ্জয় মাহাতো বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনার নেপথ্যের সমস্ত কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


Share