Attempt to Molestration

নদিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের দিয়ে গা টেপানোর অভিযোগ, স্কুলে বিক্ষোভ অভিভাবকদের, আটক অভিযুক্ত

নদিয়ার শান্তিপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের দিয়ে শরীরে মলম লাগিয়ে গা টেপানোর পাশাপাশি গোপনাঙ্গে হাত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা প্রধান শিক্ষককে স্কুলের ঘরে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান।

অভিভাবকেরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, শান্তিপুর
  • শেষ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৬ ০২:৪৩

নদিয়ার শান্তিপুরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের দিয়ে শরীরে মলম লাগিয়ে গা টেপানোর অভিযোগ উঠেছে। একইসাথে ছাত্রীদের গোপনাঙ্গে হাত দেওয়ার গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শান্তিপুর থানার অন্তর্গত মেলের মাঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।

অভিভাবকদের অভিযোগ, মাঝেমধ্যেই কয়েকজন ছাত্রীকে বেছে নিতেন। তাঁদের দিয়ে বাড়ি থেকে মলম আনাতেন। এবং নিজের শরীরে তা লাগাতেন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক। এরপর ছাত্রীদের দিয়ে তাঁর শরীর টেপানো হত। এমনকি, ওই সময় ছাত্রীদের শরীরের বিভিন্ন গোপন অংশে হাত দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

অভিভাবকদের আরও দাবি, প্রতিদিন সমস্ত ছাত্রছাত্রীকে ছুটি দিয়ে দেওয়ার পর কয়েকজনকে বেছে নিয়ে ওই শিক্ষক স্কুলে রেখে দিতেন । এরপর তাঁদের দিয়েই এই ধরনের কাজ করানো হত বলে অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরেই এমন ঘটনা চলছিল বলে অভিভাবকেরা করেন দাবি ।

অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই একাধিক ছাত্রছাত্রীর অভিভাবক ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রাখেন। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। খবর পেয়ে শান্তিপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তাঁরা অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগের সঠিক তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। এরপর অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে শান্তিপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিভাবকদের দাবি, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে তিনি আর কোনও বিদ্যালয়ে চাকরি করতে না পারেন।


Share