Madhyamik Exam

আগামী সোমবার থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা, হেল্পলাইন নম্বর চালু কলকাতা পুলিশের

চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষাকে সামনে রেখে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে পরীক্ষার্থীদের সহায়তার লক্ষ্যে বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হল। হেল্পলাইন নম্বরটি হল ৯৪৩২৬১০০৩৯। পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীরা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে এই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।

লাল বাজার
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:৫৮

চলতি বছরের আগামী সোমবার থেকে শুরু হতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। আর তার আগেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে সাংবাদিক বৈঠক করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় প্রস্তুতি ও নিয়মকানুনের বিস্তারিত তথ্য। পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ন'লক্ষ ৭১ হাজার ৩৪০। ছাত্রীর সংখ্যা পাঁচ লক্ষ ৪৪ হাজার ৬০৬ এবং ছাত্রের সংখ্যা চার লক্ষ ২৬ হাজার ৭৩৩। তবে ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬-এ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দু'লক্ষ বেড়েছে।

চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষাকে সামনে রেখে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে পরীক্ষার্থীদের সহায়তার লক্ষ্যে বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হল। হেল্পলাইন নম্বরটি হল ৯৪৩২৬১০০৩৯। পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীরা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে এই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।

মাধ্যমিক পরীক্ষা আগামী ২ তারিখ থেকে শুরু হয়ে ১২ তারিখ পর্যন্ত চলবে। প্রত্যেকদিন পরীক্ষা শুরু হওয়ার সময় সকাল ১১ টা থেকে। শেষ হবে দুপুর দু'টোয়। প্রশ্নপত্র বিতড়নের সময় পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট আগে। মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য রাজ্য জুড়ে মোট দু'হাজার ৬৮২টি পরীক্ষাকেন্দ্র বাছাই করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৪৫টি মূল পরীক্ষাকেন্দ্র এবং এক হাজার ৭৩৭টি উপ-কেন্দ্র রয়েছে।

পর্ষদ সূত্রের খবর, একাধিক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফর্ম জমা না দেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। মোট ৯৫৪টি স্কুল সময়মতো ফর্ম জমা দেয়নি বলে জানা গিয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর পরীক্ষা পরিচালনার জন্য বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।

ফাইন বাড়ানো প্রসঙ্গে বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, আদালত নির্ধারিত সীমার মধ্যেই ফাইন ধার্য করা হয়েছে। ২৭ হাজার ৭৮৩ জন পরীক্ষার্থীর সার্টিফিকেট যাচাই করে এসআইআর-এর জন্য পাঠানো হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রতিদিন পরীক্ষা পরিচালনার জন্য প্রায় ২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষকের প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে রাজ্য জুড়ে ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধনের কাজ চলায় বিএলও-এর কাজে নিযুক্ত অধিকাংশ শিক্ষক। এ বিষয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীককে চিঠি দিয়েছে। তবে রামানুজের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাদের মতে, সারা রাজ্যে প্রায় আট থেকে ন'লক্ষ শিক্ষক রয়েছে। সেকারণে পরীক্ষা পরিচালনার ওপর কোনোও প্রভাব পড়বে না।


Share