Wage Hike

পুজোর আগেই বাড়ল ভোকেশনাল শিক্ষকদের পারিশ্রমিক, দু’হাজার বেড়ে হল ২২ হাজার টাকা

রাজ্যের ভোকেশনাল শিক্ষক ও প্রশিক্ষকদের দুই হাজার টাকা পারিশ্রমিক বাড়াল সরকার। ২০ হাজার থেকে বেড়ে মাসিক পারিশ্রমিক হল ২২ হাজার টাকা। ১ অক্টোবর থেকেই নতুন হারে পারিশ্রমিক কার্যকর হচ্ছে।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:৪১

পুজোর আগেই সুখবর রাজ্যের ভোকেশনাল শিক্ষক ও প্রশিক্ষকদের জন্য। মাসিক পারিশ্রমিক বাড়ানো হল দু'হাজার। ২০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হল ২২ হাজার টাকা। আগামী ১ অক্টোবর থেকেই নতুন হারে পারিশ্রমিক কার্যকর হচ্ছে।

সংহত স্কুলশিক্ষা প্রকল্পের অধীনে কর্মরত ভোকেশনাল শিক্ষক ও প্রশিক্ষকদের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিএসএসভিএসই অর্থাৎ সেন্ট্রালি স্পনসর্ড স্কিম অফ ভোকেশনালাইজ়েশন অফ স্কুল এডুকেশনের আওতায় থাকা শিক্ষক ও প্রশিক্ষকরাও এই সুবিধা পাবেন। কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি জানানো হয়েছে। রাজ্যের ১৬০০-র বেশি স্কুলে বর্তমানে ২৬০৩ জন ভোকেশনাল শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্মরত রয়েছেন।

বর্ধিত পারিশ্রমিক কার্যকর করার জন্য ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং ডিরেক্টরেটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, পারিশ্রমিক বাড়লেও আগের নিয়ম ও শর্তগুলির কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। প্যানেলের ট্রেনিং প্রোভাইডারদের মাধ্যমে নিযুক্ত ভোকেশনাল প্রশিক্ষকরাই এই বর্ধিত পারিশ্রমিক পাবেন। তবে ২২ হাজার টাকার মধ্যেই নিয়োগকর্তা ও কর্মী, দু’পক্ষের ইপিএফ, ইএসআই-সহ সমস্ত বিধিবদ্ধ কাটছাঁট ধরা থাকবে। এর বাইরে অতিরিক্ত কোনও অর্থ দাবি করা যাবে না।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাজ্য অর্থ দফতরের অনুমোদনের পরই পারিশ্রমিক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অক্টোবর মাস থেকেই যাতে প্রশিক্ষকরা নতুন হারে টাকা পান, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এনএসকিউএফ শিক্ষক পরিবারের রাজ্য সম্পাদক শুভদীপ ভৌমিক বলেন, স্কুলশিক্ষা দফতরের অধীনে থাকা কারিগরি শিক্ষা দফতর পরিচালিত নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি ও সরকার পোষিত উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে এনএসকিউএফ বৃত্তিমূলক শিক্ষকরা কাজ করেন। পুজোর আগে তাঁদের পারিশ্রমিক দুই হাজার টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুভদীপের বক্তব্য, এই প্রকল্প কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হলেও মাঝখানে একাধিক এজেন্সি রয়েছে। ফলে শিক্ষকদের হাতে শেষ পর্যন্ত অনেকটাই কম টাকা পৌঁছোয়।


Share