Theft

পার্ক স্ট্রিটে বৃদ্ধাকে অজ্ঞান করে কোটি টাকার গয়না চুরি, মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার, উদ্ধার হিরে, সোনা ও রুপোর সামগ্রী

কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে এক বৃদ্ধাকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে কোটি টাকার গয়না চুরির ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং উদ্ধার হয়েছে এক জোড়া হিরের দুল, সোনার গয়না ও ২১৭টি হিরে সদৃশ পাথর।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, পার্কস্ট্রিট
  • শেষ আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬ ১২:৩৭

কলকাতার পার্ক স্ট্রিট থানা এলাকায় এক বৃদ্ধাকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে কোটি টাকার গয়না চুরির ঘটনায় বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেখান থেকে এক জোড়া হিরের দুল, সোনার গয়না এবং একাধিক রুপোর সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত আরও এক অভিযুক্ত এখনও পলাতক।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৫ জুলাই এই চুরির অভিযোগ দায়ের হয়। এর পর পার্ক স্ট্রিট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধার বাড়িতে কর্মরত গৃহপরিচারিকা পুতুল বর্মা ওরফে নমিতা রাউত। সে প্রথমে পরিবারের আস্থা অর্জন করে। এরপর বৃদ্ধাকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অজ্ঞান করে। শেষে বাড়িতে থাকা মূল্যবান গয়না চুরি করে। এই ঘটনায় তার সঙ্গে আরও কয়েকজন সহযোগী জড়িত ছিল বলেও অভিযোগ।

তদন্তের শুরুতেই পুলিশ সুস্মিতা সর্দার এবং সোহেল রাফিকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তাঁরা ১২ জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। পরবর্তী তদন্তে ৯ জুলাই উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া এলাকা থেকে মূল অভিযুক্ত পুতুল বর্মা ওরফে নমিতা রাউতকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে এক জোড়া হিরের দুল উদ্ধার হয়।

একই দিনে চন্দন কুমার শাও নামে আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার পুলিশ গ্রেফতার করে। জেরায় চন্দন পুলিশকে জানায়, চুরি হওয়া একটি হিরের বালা সে পাপ্পু কুমার বর্মা নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেছিল। বালা থেকে হিরেগুলি খুলে আলাদা করে রাখা হয়েছিল বলেও সে দাবি করে।

এরপর চন্দনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভাটপাড়ায় পাপ্পু কুমার বর্মার বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে ২১৭টি ছোট আকারের হিরে সদৃশ পাথর উদ্ধার করে। যদিও অভিযুক্ত পাপ্পু কুমার বর্মা এখনও পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পুলিশের দাবি, তদন্ত এখনও চলছে। চুরি হওয়া বাকি গয়না উদ্ধারের পাশাপাশি এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Share