Assembly Election

নির্বাচনের কাজে সরকারি চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের মাঠে নামানো হয়েছে, সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে দাবি বিরোধী দলনেতার

শুভেন্দুর এ হেন অভিযোগের পরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়া যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, তাই ওই কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশন ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভোটের কাজে নিয়োগে করা হয়ে বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ১১:২৩

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটের কাজে কোনও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়োগ করা যাবে না। তা হবে যে তাঁদের নিয়োগ করছে তাঁর ওপরে শাস্তির খাঁড়া নেমে আসতে পারে বলে কমিশন হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তার পরেও নির্বাচনের কাজে চুক্তিভিত্তিক সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে। শনিবার সকালে সমাজমাধ্যমে পোষ্ট করে এমনই অভিযোগ করেছেন রাজ‍্যের বিরোধী দলনেতা তথা ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।

গত ১০ এপ্রিল কসবার রিটার্নিং অফিসার পূর্ণিমা দে নির্দেশিকা জারি করে “সেক্টর অ্যাসিস্ট্যান্ট” এবং “অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্টর অফিসার” পদে একাধিক ব্যক্তিকে নিয়োগ করেছেন। তাতে মোট ২১ জন সেক্টর অফিসারের নাম রয়েছে। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, ওই বিধানসভা কেন্দ্রে যাঁদের ভোটের কাজে লাগানো হচ্ছে, তাঁরা চুক্তিভিত্তিক কর্মী। কর্মীদের অধিকাংশই পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের আইএসজিপিপি সেলের অধীন চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। বর্তমানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সঙ্গে যুক্ত বলেও দাবি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এ ছাড়াও, ‘সেক্টর অ্যাসিস্ট্যান্ট’ ও ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্টর অফিসার’ নামে কোনও স্বীকৃত পদ নির্বাচন কমিশনের কাঠামোর মধ্যে নেই বলেও অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, প্রথমে এই ব্যক্তিদের ‘সেক্টর অফিসার’ হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও পরে আপত্তির জেরে তাদের পদবী পরিবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু দায়িত্ব একই রাখা হয়েছে। 

কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী দায়িত্বে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়োগ করা যায় না। তাদের মতে, স্থায়ী সরকারি কর্মীদের পরিবর্তে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়োগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। শুভেন্দু এ-ও দাবি করেন, শাসকদলের স্বার্থ চরিতার্থ করতেই রিটার্নিং অফিসার এই পদক্ষেপ করেছেন। নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে তাঁরা।

শুভেন্দুর এ হেন অভিযোগের পরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়া যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, তাই ওই কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশন ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। 


Share