Calcutta High Court

ভোটার তালিকা সংশোধনে এলআইসি কর্মী নিয়োগ কেন? নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব চাইল কলকাতা হাই কোর্ট

এই প্রেক্ষিতে বিচারপতি রাওয়ের প্রশ্ন, ‘কমিশন চাইলেও এলআইসি কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট ভাবে ওই কর্মীদেরই কেন এসআইআরের কাজে নাম পাঠিয়েছে?’ সে ব্যাপারে কোনও পক্ষ স্পষ্ট বক্তব্য জানাতে না পারায় আদালত রিপোর্ট তলব করে।

কলকাতা হাই কোর্ট
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:৩৪

সারা রাজ্য জুড়ে চলছে ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধনের কাজ। এই কাজে মাইক্রো অবর্জাভার হিসেবে এলআইসি কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে। এ বার এই এলআইসি কর্মীদের নিয়োগের বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে ব্যাখা চাইল। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের নির্দেশ অনুযায়ী, এ নিয়ে দু’সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশন এবং এলআইসি কর্তৃপক্ষকে তাদের বক্তব্য জানাতে হবে। ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন এসআইআর প্রক্রিয়ায় মাইক্রো অবজ়ারভার হিসেবে ১,২০৪ জন এলআইসি কর্মীকে নিয়োগ করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এলআইসি কর্মীরা প্রতিদিনের কাজের জন্য বোনাস পান এবং সেই কাজের ভিত্তিতেই বছর শেষে পারফরম্যান্স বোনাস নির্ধারিত হয়। কিন্তু নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত থাকার ফলে তাঁরা নিজস্ব পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না।

এই প্রেক্ষিতে বিচারপতি রাওয়ের প্রশ্ন, ‘কমিশন চাইলেও LIC কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট ভাবে ওই কর্মীদেরই কেন এসআইআরের কাজে নাম পাঠিয়েছে?’ সে ব্যাপারে কোনও পক্ষ স্পষ্ট বক্তব্য জানাতে না পারায় আদালত রিপোর্ট তলব করে।

ভোটার তালিকার কাজকর্ম সঠিকভাবে এগোচ্ছে কি না সেই বিষয়ে নজর রাখতে মাইক্রো অবর্জাভাররা নজরদারি চালান। মেট্রো রেল, রেল, জীবনবিমা নিগম, কোল ইন্ডিয়া, ডিভিসি, শুল্ক দফতর-সমেত কলকাতায় বা জেলায় থাকা কেন্দ্রীয় সরকারের অফিস কর্মীদের থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মাইক্রো অবজারভার করে পাঠানো হয়েছে। এই তালিকায় এলআইসি-র কর্মীরাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। কারণ, এলআইসি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। কিন্তু সেখানকার কর্মীদের একটা বড় অংশের যুক্তি, এসআইআর-এর কাজ করতে গিয়ে বছর শেষে তাঁদের নিজেদের কাজে ব্যাঘাত ঘটবে।


Share